Saturday, July 19, 2025

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪

 না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদানিং বেশ ভালোই দৃশ্যম্যান দেখতে পাচ্ছি। না-রীবাদ এতটা বাড় বাড়ন্ত কোনদিনই হতে পারতো না যদি না ঘরের মা তার মে-য়েকে কু-টনা বুদ্ধি দিয়ে না-রীবাদে হাতে খড়ি দেয়ায়। আর এইটাই বেসিকালি ঘরের মা-বোনদ্বারা না-রীবাদ এর পথ শুরু বোঝায়। বাংলাদেশ এর প্রায় সব ফ্যামিলিতেই মা-বোন দারাই প্রথম না-রীবাদ সুচনা প্রাপ্ত হয়। এই সত্যি মেনে নিতে দ্বিধা বোধ করা প্রতিতা পুরুষ না-রীবাদ বৃদ্ধিকরনে অত্যন্ত জোরালো ভুমিকা রাখছে কেননা তারা মা বোন এর না-রীবাদ না রুখে উল্টো মা-বোন এর দোহাই দিয়ে ইমোশনাল কথা বলে বেড়াচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় না-রীবাদ বিরোধী পোস্ট করে কাপিয়ে ফেলে কিঞ্চিৎ লাভও হবে না ব্রাদার যদি না নিজ বাড়িতে পুরুষ হিসাবে গাইরাত প্রদর্শন পূর্বক মা-বোন এর না-রীবাদ রুখে দিতে পারেন।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৩

 ফেইসবুক এর সবচাইতে টক্সিক গ্রুপগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে গার্লস গ্রুপ গুলো এগিয়ে থাকবে। সারাদিন কিভাবে স্বামী বশে আনা যায়, বয়ফ্রেন্ড বশে আনা যায়, শাশুড়িকে কিভাবে টপকানো যায়, অমুক প্রতিবেশী মহিলার নিন্দা তমুক এর ঘরের কাজের বুয়া লেইটে আসে আসে ইত্যাদি ফালতু বিষয় নিয়ে আলোচনা ২৪*৭ চলতে থাকে। মেয়েদের এই পিছনে লাগা, পরনিন্দা করার স্বভাব এর জন্য শেষমেষ এরা একে অপরকেই দেখতে পারে না। প্রচণ্ড বিরক্তিকর এসব তথাকথিত দ্বীনদার গার্লস গ্ররুপ। কি খেলাধুলা, কি রাজনীতি, কি প্রাসঙ্গিক কোন আলোচনা ওয়ালা গ্রুপ এসব একমাত্র ছেলে বেশী যেখানে সেখানেই সম্ভব। নারীবান্ধব গ্রুপে প্রাসঙ্গিক থেকে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা বেশি হয়। ছেলেরা যে কোন দিন গঠনমুলক আলোচনায় মেয়েদের থেকে এগিয়ে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭২

 একাকীত্ব কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তা ভাইরাল ফেসবুক লাইভের সুইসাইড থেকে আমরা বুঝতে পারি। নারীবাদ রুখতে কিছু অপদার্থ পুরুষ এর চিরকুমার থাকবার পশ্চিমা ইসলাম বিরোধী MGTOW নীতি বাস্তবায়ন এর ইচ্ছার ফলাফলও এমনটাই হতে পারে। সুতরাং সাধু সাবধান, নারীবাদ দূরীকরণে ছেলে মেয়েদের ছোটবেলা থেকে সঠিক শিক্ষার স্টেপ নেয়া হোক এবং নারীবাদী মেয়েদের বয়কত করা হোক। কিন্তু চিরকুমার থাকবো টাইপ হাইপার কথা বলে উল্টো ইসলাম বিরোধী পশ্চিমা MGTOW নীতি বাস্তবায়ন এর পথে যাওয়া আর যাই হোক একজন মুসলিম পুরুষ এর জন্য শোভাজনক নয়।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭১

 নারীবাদ কারন হেতু নারীবাদী মেয়ের সঙ্গ ত্যাগ করা, এড়িয়ে চলা যেমন বুদ্ধিমান পুরুষ এর কাজ তেমনি একই মতবাদ হেতু বিয়ে করবো না, চিরকুমার থাকবো জাতীয় কথা বলে ব্যাঙ এর মত লাফানো পুরুষগন নির্বোধ। এই জাতীয় পুরুষ যেই ইসলাম এর কারনে নারীবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে সেই ইসলামকে ডুবিয়ে চিরকুমার এর মত ইসলাম বিরোধী পশ্চিমা প্রোপাগান্ডাতে গা ভাসিয়ে দিয়েছে MGTOW এর মত ইসলাম বিরোধী প্রোপাগান্ডার সাথে তাল মিলিয়ে। যেখানে বিপরিত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ আল্লাহ দ্বারা প্রদত্ত এবং বিবাহের মাধ্যমে ইসলাম বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে বৈধভাবে থাকবার এখতিয়ার দিয়েছে সেখানে ইসলাম এর বাইরে নিয়ে নারীবাদ এর দোহাই নিয়ে পশ্চিম দের সাথে তাল মিলিয়ে ইসলাম এর ১২ টা বাজিয়ে এই সকল MGTOW সমর্থনকারী পুরুষ সজ্ঞানে ইসলামকে শেষ করছে। এই বোধ গুলো একজন সুপুরুশ এর থাকা উচিৎ বলে মনে করি আমি। ফেমিনিসম এর সাথে এমজিটো বয়কট করুন সবাই কঠোর হস্তে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭০

 মেয়ে মানুষ এর প্রতি আগ্রহ আপনার থাকতেই পারে, সেটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার, কিন্তু এই আগ্রহ দেখাতে গিয়ে যদি সিম্পিং শুরু করে কেউ তাহলে বুঝতে হবে আপনার সেলফ রেস্পেক্ট এর অভাব রয়েছে এবং আপনি নারীর কথায় ওঠ বস করা মানুষ। বাস্তবে এই ধরনের পুরুষরাই নারী সঙ্গ প্রাপ্তির আশায় নিজেকে নারীবাদী হিসাবে জাহির করবার আপ্রাণ চেস্টা চালায়। যাকে বলে সিম্পিং এট ইটস বেস্ট।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৯

 অনিকা আতিক নামের এক পাকিস্তানী তরুণীকে ধর্ম অবমাননার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে পাকিস্তান এর আদালত। নিঃসন্দেহে এটা একটা ন্যায়বিচার। অপরাধী পুরুষ হলে চোখ বন্ধ করে রাখা আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে শুরু করে নারীবাদী গোষ্ঠী এবার এইটাকে একটা ইস্যু বানিয়ে ছাড়বে। অথচ অপরাধী পুরুষ হলে এদের হ্যারিকেন দিয়ে খুঁজে পাওয়া যেত না। ধর্ম কে মানবে বা না মানবে এইটা যার যার পার্সোনাল ইচ্ছা কিন্তু ধর্ম অবমাননা পাব্লিক প্লেসে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় করা একটা অফেনসিভ ক্রাইম। দুঃখজনক ভাবে আমাদের দেশে অনেক নাস্তিক সরাসরি এমনটা করে বিদেশে সহজে উড়াল দিয়েছে এবং প্রশাসন এদের যে কোন কারনেই হোক এদের গতিরোধ করেনি। আর নারী অপরাধীর বেলায় তো টোটালি সাত ক্ষণ মাফ এই দেশে। আশা করছি নারীবাদী গোষ্ঠী এবং তথাকথিত হিউমান রাইটস গোষ্ঠীর মুখে চুনকালি দিয়ে এই পাপাত্মা নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে পাকিস্তানে। নিউজ লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৯

 আত্মকেন্দ্রিকতা হল স্বার্থপরতার ঠিক আগের ধাপ। একজন আত্মকেন্দ্রিক মানুষ স্বার্থপর হিসাবেই পরিচিত হয়। আর স্বার্থপরতার কারনেই একটা মানুষ অমানুষে পরিনত হয়। আশ্চর্যজনকভাবে নারীবাদে বিশ্বাসী মানুষগন এই আত্মকেন্দ্রিকতায় ভোগে যেটা তাদেরকে স্বার্থপর করে তোলে এবং যার সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ কেবলমাত্র নারীর অধিকার নিয়ে সোচ্চার হওয়া এবং একইসাথে নারীর অধিকার খর্বের কারন পুরুষতন্ত্র দেখিয়ে প্রকাশ্যে পুরুষবিদ্বেষ দেখানো। আর অত্যন্ত সুচতুরভাবে নারীবাদীদের এই ঘৃণ্য সমাজবিরোধী অপপ্রচার এর বিরোধিতা করলে আপনাকে বানিয়ে দেয়া হবে নারী বিদ্বেষী। এই ব্লেম গেমটাও ইভেন এখন পুরনো হয়ে গেছে, তাই নারীবাদীদের নয়া কাউন্টার হচ্ছে নারীর করা যে কোন সমাজ বিরুদ্ধ কাজ এর বিরোধিতা করলে আপনার বাড়িতে মা বোন আছে কিনা এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে বসবে। কিন্তু বাড়ির মা বোন মাত্রই ধোয়া তুলসি পাতা নয় বরঞ্চ বাড়ির মা বোনই আজকাল নারীবাদ প্রসার এর অন্যতম কারন। এইগুলো নারীবাদীদের মুখের উপর বললে লুপে পরে এগেইন আপনাকে নারী বিদ্বেষী বানিয়ে দেবে। এই চক্রাকার ননসেন্স শেষ করবার সময় এসেছে। ইসলাম মতে দ্বীনদ্বার নারী চাহ্রা যে কোন নারীর প্রতি বিদ্বেষ দেখানোর অময় এখনই এসে গেছে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৮

 পর্যবেক্ষণ করলাম বেশ কিছু জিনিস প্রায় ৩-৪ মাস ধরে, সেগুলোই আজ বিশদভাবে লিখবো।

আমি নারীবাদ বিরোধিতা করি তার একমাত্র কারন আমি ধর্মে বিশ্বাসী মুসলিম এবং নারীবাদ ইসলাম বিরোধী একটা মতবাদ। নারীবাদ যেহেতু নারী সংক্রান্ত স্বাভাবিকভাবে নারীবাদ বিরোধিতা করতে গেলে নারীর বিরোধিতা অটো চলে আসবে। আর এই নারীর বিরোধিতা করতে গেলে তথা নারিবাদ রুখতে গেলে ওরফে পবিত্র কোরআন অনুজায়ী সবচাইতে ভয়ঙ্কর ফিতনা নারীর ফিতনা রুখতে গেলে মনে সামগ্রিক নারী বিদ্বেষ আনতেই হবে যার কারনে নারী ও পুরুষ উভয়কেই হতে হবে আলফা মেইল এবং ফিমেইল এবং এর সাথে দ্বীনি নারীর প্রতি বিদ্বেষ এর কোন সম্পর্ক নেই, এই বিদ্বেষ কোনোভাবেই একজন দ্বীনি নারীর প্রতি বিদ্বেষ বহন করে না।
এই তো গেল পুরনো গ্রামোফোনের রেকর্ড। কিন্তু নতুন রেকর্ড কি? নতুন রেকর্ড হল MGTOW বা Men Going Their Own Way। এই মতবাদ হল নারীবাদ এর মতই আরেকটা ইসলাম বিদ্বেষী মতবাদ। কারন এই মতবাদে বিশ্বাসী পুরুষগণ আল্লাহ প্রদত্ত বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ টপকিয়ে নিজেদের মত চলতে চায় যার করে MGTOW সমর্থককারীর একটা বিরাট অংশ সমকামী হিসেবে নিজেদের বানিয়ে ছাড়ে শেষ পর্যন্ত। যেটা পবিত্র ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। বলা বাহুল্য আলফা মেইল আর MGTOW কোনোভাবেই এক জিনিস নয়, আলফা মেইল সিম্পিং করে না এবং সামগ্রিক নারী বিদ্বেষ সে মনে রাখে কেননা সে যেন তেন নারীর প্রতি আকর্ষিত হয় না কিন্তু আলফা মেইল যোগ্য নারী সঙ্গ কামনা করে এবং সেটাই হওয়া উচিৎ। কিন্তু এই MGTOW মতবাদটাই হল নারী থেকে টোটালি পুরুষকে আলাদা রেখে ইসলাম বহির্ভূত একটা সমাজ তৈরি করা যেখানে পুরুষদের কৌশলে পশ্চিমা স্টাইলে সমকামী করা হয়। MGTOW এর ইতিহাস পড়লে এবং নারীর প্রতি স্বাভাবিক আকর্ষণ বন্ধে তাদের করনীয় কর্মসূচী ঘাঁটলে এই বিষয়গুলো পুরোপুরি পরিস্কার হয়ে যায়, সুতরাং নারীবাদ এর সাথে ইসলাম এর স্বার্থে এই পশ্চিমা ইসলাম বিরোধী MGTOW মতবাদ রুখে দেয়া ধর্মপ্রাণ যে কোন মুসলিম এর অবশ্য কর্তব্য। এই কথাই স্মরণে রাখতে হবে সকল মুসলিমদের।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৭

 বাংলাদেশের টুরিস্ট স্পটগুলোতে অশ্লীলতা এমন পর্যায় চলে গেছে যে মেয়েদের জন্য হিজাব ওড়না বাধ্যতামূলক করা এখন সময়ের দাবী হয়ে উঠেছে। খোলা চুল আর গলায় ওড়না পেঁচানো বা ওড়না ছাড়া এইসব মেয়েদের ভাষ্য মতে পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রাখা উচিৎ তবেই সমাজ পরিস্কার থাকবে, আরে কমলার বেটি তুই মেয়ে মানুষ, আল্লাহ তোকে আকর্ষণীয় বানাইছে, তুই ওড়না গলা পেচায় খোলা চুলে বের হবি আর আল্লাহ প্রদত্ত পুরসুহ মানুষের বিপরীত লিঙ্গের উপর আকর্ষণ হেতু তোর দিকে দৃষ্টি দিলে সেইটা ভুল হয় কি করে? পুরুষ মানুষ মেয়ে মানুষের দিকে তাকাবে এইটা স্বাভাবিক বিষয়, বিরপিত লিঙ্গ এর উপর আকর্ষণ থাকবেই, বিষয়টা জখন স্বাভাবিক তখন কি করা উচিৎ মেয়ের? লজ্জাস্থান এর হেফাজত করা উচিৎ, হিজাব ওড়না পরে শালীন ভাবে চলা উচিৎ যাতে পুরুষ এর চোখ যখন তখন আটকে না যায়, এই হারামজাদী মেয়েগুলা চায়টা কি? পুরুষ মানুষ নারীর প্রতি আকৃষ্ট হবে না? মেয়ে মানুষ দেখবে না?? কার দিকে তাকাইবে তারা? এক ছেলে আরেক ছেলের দিকে প্রনয় এর দৃষ্টিতে তাকায় থাকবে নাকি?? এইটা আশা করে নাকি অপদার্থ গুলা? পুরুষ এর আকর্ষণ এর বিষয়বস্তু যেহেতু নারী দেহ তাই নারী দেহের আবেদনময়ী অঙ্গ এর হেফাজত করা মেয়েদেরই দায়িত্ব।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৬

 বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে মেয়েদের চলাফেরা দেখলে ধর্মপ্রাণ যে কোন মুসলিম নরনারীর মুখে আস্তাগফিরুল্লাহ বা নাউজুবিল্লাহই অটোমেটিক চলে আসবে। আমাদের গুলশান এর অবস্থা বাদ দিলাম এইখানে না হয় বিদেশী মানুষ দিয়ে ভর্তি, বিদেশী কালচার এর টাচ লাগবে, কিন্তু ধানমণ্ডি, মিরপুর এমনকি সদুর খুলনা শহরের চিত্র যেটা দেখেছি তার বরাতে বলতে পারি মেয়েরা সঠিক পোষাকে চলাচল না করলে এর ফলাফল মেয়েরাতো বটেই সাথে পুরো সমাজ ও দেশ ভোগ করবে। ঢাকার কোন একটা প্লাজাতে ঢুকলে মেয়েদের অবস্থা আরও বেশী শোচনীয় দেখা যায়। সম্পুরত্ন ইচ্ছাকৃতভাবে শোঅফ, কারো হাঁটুতে ছেঁড়া জিন্স, কেউবা এমনভাবে কামিজ পরে যাতে ভারতের যোগী সাধু বাবা দেখলেও তার মাথায় কুচিন্তা এসে যাবে সিওর আর ওড়নাটাকে তো গলায় ফাঁস লাগানর একটা দড়ি পার্মানেন্টলি বানায় ফেলছে মেয়েরা। যদিও কিছু কিছু মেত্যে সেটারও ধার ধারে না। এরা আসলে চায়টা কি? এইটা নারী স্বাধীনতা? তো ছেলেদের কি মেয়ে মানুষ ভালো লাগবেনা? যে কোন সুস্থ পুরুষ এর মেয়ে মানুষ ভালো লাগবে, তো তারা তো তাকাবেই এইসব ড্রেস পরে বের পরে, পিছু নিলে তখন হয়ে যাবে ইভ টিসিং নাকি? বডি শোঅফ করবা কিন্তু শো অফ এর ফলে ঘটা অনাবাঞ্ছিত ঘটনার দায়ভার দিবা ছেলেদের সেটাতো হবেনা মিস নারীবাদী নারী গোষ্ঠী। এই ধ্রুনের ভাওতাবাজি যত মেয়েরা করবে ঠিক ততই ইভটিসিং, ধর্ষণ বাড়তে থাকবে। নারী আকর্ষণীয় একটা ব্যাপার, সেটা পুরুষের ভালো লাগবেই, সুতরাং আকর্ষণ এর কেন্দ্র বিন্দু যখন নারীদেহ সেটার হেফাজত না করলে এর ভোগান্তির জন্য দায়ভার মেয়েদেরই নিতে হবে। পুরুষকে দেয়া যাবে না।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৫

 মেয়েরা যখন শিক্ষায় পিছিয়ে ছিল, তখন নারীবাদী সুশীল সমাজের মতে, সমাজের কিছু পুরষতান্ত্রিক ভুল ছিল এবংনারীবাদ সেটা পরিবর্তন করেছে।

কিন্তু ছেলেরা যখন শিক্ষায় পিছিয়ে থাকে, নারীবাদী সুশীল সমাজের মতে ছেলেটা গোল্লায় গেছে, ছেলেদের চরিত্র ঠিক করতে হবে সৎসঙ্গে থাকতে হবে।
সম অধিকার এর নামে লিঙ্গ ভিত্তিক এই দ্বিচারিতাি নারীবাদ করে আসছে যুগ যুগ ধরে আর বর্তমানে প্রায় সব মেয়েই উপরের বলা হিপক্রিট ধারনা মনে পোষণ করে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬৩

 হাতে গোনা কয়েকজন নারী ছাড়া বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিয়োগপ্রাপ্ত নারীদের কাজের অবস্থা টোটালি লেজে গোবরে, কাজ পরিপূর্ণভাবে না বোঝা, লেইটে কাজ শেষ করা ইত্যাদি এর মধ্যে, সে আপনি ব্যাংকে যান আর কোন অনুষ্ঠান এর রিসিপশনে যান, দৃশ্যপট একই ও অভিন্ন, খুবই নগণ্য সংখ্যক নারী পারত যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরী পায় তাদের বাদে বেশীরভাগ নারী রূপের গুনে চাকরী বাগিয়ে নেয় বিধায় কর্মক্ষেত্রে নারীর থেকে পুরুষ এর পারফরমেন্স যোজন যোজন এগিয়ে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬২

 নারীর অধিকার রক্ষা করতে করতে এখন এমন একটা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কেউ যদি পুত্র সন্তান কামনা করে তবে সে হয়ে যায় নারীবাদী সমাজ এর চোখে সেক্সিস্ট। মানে ব্যাপারটা হয়ে গেছে আপনার কন্যা সন্তানই কামনা করতে হবে তবেই আপনি সুশীল কিন্তু পুত্র সন্তান কামনা করলে "লিঙ্গ সমতা" সমর্থন করেন না বলে ট্যাগ খেয়ে যাবেন। সন্তান পুত্র বা কন্যা হোক মা বাবা উভয় সন্তানকেই ভালবাসে, পুত্র বা কন্যা কি হবে সেটা মানুষের উপর নির্ভর করে না কিন্তু একটা দম্পতি স্পেসিফিকভাবে পুত্র বা কন্যা সন্তান আশা করতেই পারে, কিন্তু নারীর অধিকার রক্ষা করার নামে পুত্র সন্তান কামনা করাটা যেখানে এখন সেক্সিস্ট বলে গণ্য করা হয় সেখানে আমি সৈয়দা অবশ্যই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে যাব। হ্যাঁ, আমি আমার ভবিষ্যৎ দাম্পত্য জীবনে পুত্র সন্তান কামনা করি এবং আমি আমার পুত্রকে আলফা মেইল হিসাবেই তৈরি করে তুলতে চাই যাতে আমার ভবিষ্যৎ পুত্র সিম্প হয়ে মেয়েদের কথামত না চলে। আর এর জন্য নারী বিদ্বেষী মনোভাব প্রয়োজন কিছুটা। এই যে, আমি যে এখন "নারী বিদ্বেষ" শব্দটা প্রয়োগ করলাম এতেই মেয়েদের চুলকানি শুরু করে যাবে। পবিত্র কোরআন এর উপরে তো কোন কিতাব হতে পারে না দুনিয়াতে, সেই পবিত্র কোরআনে পর্যন্ত নারীর থেকে বড় ফিতনা পুরুষের জন্য নেই বলে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, সুতরাং সামগ্রিকভাবে নারীর ফিতনা থেকে বাঁচতে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে একটা ছেলের মধ্যে সামগ্রিক নারীবিদ্বেষ এর বিকল্প নেই, এখানে বলা বাহুল্য এই নারী বিদ্বেষ নারীবাদীদের পুরুষ বিদ্বেষ এর ন্যায় টক্সিক নয় অবশ্যই, একজন আলফা মেইল যোগ্য নারীকে উপযুক্ত সম্মান দিতে জানে এবং উপযুক্ত নারী সঙ্গই সে কামনা করে কিন্তু সিম্প গোষ্ঠীকুল এর ন্যায় একজন আলফা মেইল কোন অবস্থাতেই মেয়েদের দাস এর ন্যায় নিজেকে বিলিয়ে দেয় না আর এর থেকেই এই নারীর ফিতনা থেকে নিজেকে হেফাজত করতে সে সামগ্রিক নারী বিদ্বেষ মনে পোষণ করে। আর এমন পুরুষই সুপুরুশ হয় এওবং জীবনে সফলভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে, সুতরাং একজন ভবিষ্যৎ মা হিসাবে আমি আমার ভবিষ্যৎ পুত্র সন্তানকে অবশ্যই আলফা মেইল হিসাবে গড়ে তুলবো এবং নারীবাদ রুখতে প্রয়োজনীয় নারীবিদ্বেষী সত্ত্বা তার মনে লালিত করতে সহযোগিতা করবো, ইনশাআল্লাহ।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬১

 সৃষ্টির শুরু থেকেই নারী আকর্ষণীয়। নারীর চেহারা,ভয়েস, অঙ্গভঙ্গি, শারীরিক গঠন এসব পুরুষের চোখে আকর্ষণীয়। এইটা সর্বশক্তিমান আল্লাহপাক এর ইচ্ছা।

এখন আকর্ষণীয় যে কোন কিছুর প্রতি যেহেতু সবার লোভ থাকে থাকে আকর্ষণীয় যে কোন কিছুকে সুরক্ষিত রাখতে সে আকর্ষণীয় জিনিসটাকে শিল্ড এর মাধ্যমে সুরক্ষা দেয়া হয়। নারী তথা নারীদেহ বা নারী সংক্রান্ত বিষয় হল এমন একটা সৃষ্টি আল্লাহপাক এর যেটা যে কোন পুরুষকে আকর্ষিত করে যে কোন উপায়, এইটা বিধাতার ইচ্ছা। সায়েন্সও তাই বলে। এখন লভোনীয় বস্তুর রক্ষার দায় যেমন লোভনীয় বস্তুর মালিক এর উপর নির্ভর করে তেমনি, নারীদেহ যেহেতু আকর্ষণীয় তাই এই আকর্ষণীয় দেহ রক্ষার দায়িত্ব নারীর নিজেকেই নিতে হবে।
সেটা কিভাবে? সোজা হিসাব, যথাযথ পোশাক পরিধান এর মাধ্যমে, এইটা লজিকাল ব্যাপার। এখন কোন মেয়ে যদি ওড়না বুকের বদলে গলায় পেঁচিয়ে বাইরে গিয়ে এটা আশা করে যে না ছেলেদের দৃষ্টিভঙ্গি আমি পরিবর্তন করবোই, ছেলে আমার দিকে কেন তাকাবে, আমি গলায় ওড়না পেচালেও ছেলেটা আমার দিকে তাকাবে না, তাহলে সেই মেয়ে মূর্খ এর দুনিয়াতে বসবাস করছে।
নারী জিনিসটাই যেখানে আকর্ষণ এর কেন্দ্র, সেখানে বুকের ওড়না গলায় পেঁচালে ছেলেরা কি আল্লাহ প্রদত্ত এবং বিজ্ঞান এর লহিক অনুযায়ী মেয়েদের দিকে দৃষ্টি না দিয়ে থাকতে পারবে? এতো স্রষ্টা এবং বিজ্ঞান দুইটারী ফালুদা বানানো হয়ে গেল। একইভাবে কোন মেয়ের লম্বা চুল রয়েছে, এইবার লম্বা চুল পিছনে খোলা রেখে বের হলে খুব স্বাভাবিকভাবেই যে কোন পুরুষ তার দিকে দৃষ্টি দেবে, কেন দেবে? আরে ভাই ভালো লাগে বলে, ভালো লাগবে কেন? তা ভালো লাগবে না? বিপরীত লিঙ্গ এর প্রতি আকর্ষণ শুধু ইসলাম এর কিতাবে লেখা আছে নাকি? এতো বিজ্ঞানসম্মত ব্যাপার, প্রমানিত সত্য।
ইচ্ছাকৃতভাবে ফ্যাশন এর নামে জিন্স, টিশার্ট বা টাইট সেলয়ার পরা অবস্থায় বের হলেও ছেলেরা অবশ্যই মেয়েদের দিকে দৃষ্টি দেবে, এইটা ছেলেদের লুচ্চামি না, স্বভাবগত এবং প্রকিতিগত ব্যাপার, বরং মেয়েটা নিজের আকর্ষণীয় দেহ যথাযথভাবে না ঢেকে বের হয়ে বেহায়ার পরিচয় দিয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
আর ঠিক এই জিনিসটাই নারীবাদী মেয়েরা মানতে নারাজ, লজিকাল ব্যাপারকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে "নারীর অধিকার" এর নামে অশ্লীলতা প্রদর্শন নারীবাদ এর একমাত্র ধর্ম। নারীর সুরক্ষা তো তখনী হবে যখন নারী চুল, বুক যথাযথভাবে ঢেকে চলবে, নতুবা ওড়না গলায় পেঁচিয়ে জিন্স পড়ে বের হয়ে ছেলেদের কাছে পুরুষত্ববিহীন আচরণ আশা করার মত আকাশ কুসুম চিন্তাই করে বেড়াবে নারীবাদীরা আর এইন শেষে স্টুপিড এর মত অল মেন আর রেপিস্ট স্ট্যাটাস দিয়ে বেড়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৬০

 বর্তমান জামানায় ছেলেদের বিয়ের পাত্রী নিয়ে ব্যাপক টেনশনে থাকে কেননা নারীবাদীদের আশংকাজনক উত্থান। এর মধ্যে কি করে বিবাহযোগ্য মেয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে তা নিয়ে আমার কাজিন এর উধারহন উল্লেখ করছি, এতে দারুন ফিল্টার হয়।

পাত্রীর সাথে পরিচয় পর্বেই ভাইয়া জিজ্ঞাসা করে মেয়েকে, "আপনি নারী পুরুষ সমান অধিকার বিশ্বাস করেন কিনা?" , যে সবমেয়ে হ্যাঁ উত্তর দেবে তারা বলে কয়ে নারীবাদ সমর্থন করে, আর যারা না বলে তাদের দ্বিতীয় প্রশ্ন করে, আপনি আমার স্ত্রী হলে আপনাকে বাধ্যতামূলক শালীন পোশাক পরতে হবে, হিজাব ওড়না সবসময় পড়তে হবে, ছেলেদের পোশাক কোন অবস্থায় পরা যাবে না, আপনি এর সাথে একমত কিনা? যদি মেয়ে না বলে তবে সে ছুপা নারীবাদী, যদি মেয়ে সহমত হয় তবে ভাইয়ার তৃতীয় এবং শেষ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে, বিয়ের পর আমি আপনার স্বামী হিসাবে আপনার বিষয় সব ধরনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব এবং এই ক্ষেত্রে আপনার মা এবং বাবা কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, আপনি সহমত কিনা? মেয়ে রাজি না হলে এইটা ধুরন্ধর লেভেল এর নারীবাদী আর রাজি হলে পরবর্তীতে অন্য সকল বিষয়াদি পর্যালোচনা করে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৯

 বাস্তব জীবনের একটা উপলদ্বি হল মেয়েরা ছোট বেলা থেকে আত্নকেন্দ্রিক হয় যা মেয়েদের স্বার্থপর করে তোলে। আর এই স্বার্থপরতাই মেয়েদের পরবর্তীকালে পুরুষ বিদ্বেষী তথা নারীবাদী বানিয়ে দেয়। যৌবনে এই মেয়েরা নিজেদের রুপ দিয়ে ছেলেদের ঘুরায় আর মধ্যবয়সে এসে পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি করে কূটনামীর মাধ্যমে।এই কারণে সকল ঝামেলার মূলে সাধারণত মেয়েদের পাওয়া যায়। অবশ্যই নারীবাদ এর জন্য দায়ী।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৮

 ইসলামিক নারীবাদী মেয়েগুলো অদ্ভুত গোত্র এর প্রাণী। এরা নাকি আল্লাহর হুকুম মেনে বোরখা হিজাব পরে, পর্দা করে কিন্তু এরপরেও নারী পুরুষ সমান অধিকার, নারীর এই অধিকার সেই অধিকার নিয়ে লাফাতে থাকে চিংড়ি মাছ এর মত। আরে মূর্খ, আল্লাহর হুকুম মেনে পর্দা করতে করিস কিন্তু আল্লাহর নীতি অনুযায়ী ইসলামে নারীর যে অধিকার দেয়া হয়েছে সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারিস না? সেই ক্ষেত্রে শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে "নারী পুরুষ সমান অধিকার চাই" প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে মাঠে নেমে পরে মূর্খ গুলো। মানে কাজের বেলায় পর্দাশীল, কাজ ফুরালেই নারীবাদীর সাথে মিল! হারামজাদী কোথাকার।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৭

 হিজাব এবং বোরখা পরিহিতা নারীবাদী গুলো সেই লেভেল এর বিনোদন দিতে পারে, হিজাবীগুলো হিজাব পরে দুনিয়া উল্টায় ফেলার রাইট রাখে বলে গান গাইত্তে ভালবাসে, অনেক সময় দেখা যায় মাথায় হিজাব লাগায় গলায় ওড়না পেচায় রাখে এরা, এই হইল এদের পর্দার নমুনা। অনেক সময় সৌখীন লেভেল এর সেলয়ারেও পাওয়া যায় এদের, পোশাক নিয়ে কিছু বললেই "হিজাব পরছি চোখে পড়েনা?" বলে আপনাকে কাউন্টার করে দিবে।

অন্যদিকে বোরখা পরিহিতা মেয়েগুলো আরও এক ধাপ উপরে, এরা আপদামস্তক কালো বোরখা পরে নিজেদের ফেইসবুক প্রোফাইল এর টাইমলাইনে সারাদিন ইসলামিক বয়ান শেয়ার করে এরপর দুইটা জিনিসে ভীষণ লেভেল পারদর্শিতা দেখায়, একটা হল বোরখা পরে টিকটক, লাইকিতে গিয়ে ড্যান্স করা, শালীন ভিডিও বানাইলে তাও হইত কিন্তু এদের ড্যান্স থেকে বোরখা জড় পদার্থ না হইলে সিরিয়াললি লজ্জা পাইত, আর দ্বিতীয় হল অন্য কিছু মানুক আর না মানুক বিয়ের কাবিন এরা বিশাল বড় অঙ্ক এর টাকা হাঁকাতে পারে। ছেলের সামর্থ্য যাই হোক না কেন ওই বোরখাওয়ালীদের ডিম্যান্ড কখনও কমে না, কোন অবস্থাতেই না।
ভাইরে ভাই, এই হিজাব আর বোরখাওয়ালী নারীবাদী মেয়েরা আজব চিজ। সাধারণ নারীবাদীদের থেকে এই মার্কা মারা ইসলামিক নারীবাদীমেয়েগুলো ডেঞ্জারাস হয় বেশী। এদের থেকে ছেলেরা সাধু সাবধান।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৬

 কুমন্ত্রনায় নারী শ্রেস্ট। এমনকি দ্বীনদ্বার নারীর কাজের ব্যাঘাত ঘটায়ও কুমন্ত্রনাকারী নারী। এইগুলো বাস্তব থেকে নেয়া, নারীবাদী মেয়েরা এই সত্য গুলো বিপরীত লিঙ্গ এর উপর চাপানোর প্রয়াস করে থাকে পুরুষতন্ত্র এর দোহাই দিয়ে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৫

 বাস্তব জীবন থেকে চারটা পয়েন্ট,

১। বেশীরভাগ ঝামেলার মূলে থাকে নারীরা, এমনকি বেশীরভাগ পুরুষের মধ্যে ঝামেলার হোতাও থাকে নারীরা।
২। নারীর সর্বনাশকারীর বেশীরভাগ নারীই হয়। মেয়েদের বড় শত্রু মেয়েরাই।
৩। অল্প সংখ্যক কিছু নারী ছাড়া বেশীরভাগ নারীর মধ্যে ভয়ানক রকম হিংসা এবং বিদ্বেষ কাজ করে এবং এই গ্রুপ এর আবার বেশীরভাগ এর মধ্যে এই হিংসা এবং বিদ্বেষ থাকে সুপ্ত অবস্থায়, যখন এই সুপ্ততার বিকাশ ঘটে তখনই মেয়েদের সমাজ বিরোধই নারীবাদী সত্ত্বার প্রকাশ ঘটে।
৪। বোরখা এবং হিজাব পরিহিতা নারী হোক সে স্কুল, কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয় কিংবা মাদ্রাসার, এমন নারীদের একটা বিরাট অংশ দুর্ভাগ্য জনক ভাবে এখন ইসলাম বিরোধই নারীবাদীর ছায়ায় অভিশপ্ত। সুতরাং পর্দা কড়া নারী মানেই দ্বীনদ্বার এই জাতীয় চিন্তা থেকে সরে আসবার সময় এসেছে এখন।

Wednesday, July 9, 2025

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৪

 সুশীল যখন নারীবাদী হয় তখন তার থেকে বড় লেভেল এর ফ্রড আর কেউ হতে পারে না। এই নারীবাদী সুশীল গোষ্ঠী নিউডিটিকে আর্ট হিসাবে দেখে, মেয়েদের রক্তমাখা প্যাড এর ছবি পোস্ট করে সহমর্মিতা চায়, উত্তেজক পোশাক পরা মেয়ের ছবি দেখেও পুরুষের "ভারতের যোগী সন্ন্যাসী" হতে হবে এমনটা আশা করে। এসব সুশীলমারানী কথা নিজেদের গুহ্যদ্বারের ভিতর রাখলে হবার চান্সটা কমে যায়। বিজ্ঞান কি করে? বিপরীত লিঙ্গের প্রতি একজন সুস্থ মানুষ এর আকর্ষণ থাকবে। যেটা স্বাভাবিক বিজ্ঞানসম্মত একটা ব্যাপার। এই সুশীলমারানী নারীবাদীরা "ফ্রেন্ড" তকমা দিয়ে "ভালো মনের ছেলে বন্ধুর" কাছে একটা মেয়ের পিরিয়ড এর খুঁটিনাটি বলাটা সাভাবিক মনে করে। এর বিরোধিতা করলে সুশীলমারানী নারীবাদী গোষ্ঠীর কাছ থেকে সেক্সোহোলিক তুমি টাইপের কথা তারা বলে থাকে। তো সুশীলমারানী গোষ্ঠীর কাছে আমার প্রশ্ন পুরুষ নারীর সঙ্গ চায় কিসের জন্য? শুধু "ভালো মনের একটা মানুষ" বন্ধু হিসাবে পাবার আশায়? তাহলে । "ভালো মনের" অনেক পুরুষই আছে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে সারাজীবন কাটিয়ে দিক দেখি কোন পুরুষ আছে যারা "ভালো মনের" পুরুষ পেলেই তার সাথে বন্দুত্ত্ব করে সারাজীবন কাটাতে চায়। আছে এমন কেউ??? পুরুষের যৌন আকর্ষণ এবং আকাঙ্খা তাকে নারী সঙ্গ পাবার জন্য তাড়না দেয় এইটা হল বেসিক কমনসেন্স এবং বিজ্ঞানও তাই বলে। একইভাবে মেয়েরা এত সাজে, শরীর এর যত্ন দেয় ইত্যাদি করে নিজেকে পুরুষের চোখে আকর্ষণীয় করার জন্য, অবশ্যই মেয়েদের পুরুষের প্রতি আকর্ষণ আছে বলেই এটা করে আর পুরুষও আকর্ষিত হয় বলেই নারী সঙ্গ কামনা করে। সুতরাং এইসব "সুশীলমারানী নারীবাদী" টাইপ কথা দেখলেই সে যেন তার কথা নিজের গুহ্যদ্বার এর ভিতর রেখে দেয় সেটাই কামনা করছি এখন থেকে। চূড়ান্ত লেভেল এর বিরক্ত এসব দেখতে দেখতে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫৩

 বৈবাহিক ধর্ষণ ব্যাপারটা এমন হয়ে গিয়েছে হে মেয়েদের মুখের কথায় প্রমানিত হয়ে যাচ্ছে। ডিএনএ টেস্ট করলে শারীরিক সম্পর্ক এর প্রমান পাওয়া যায় বটে কিন্তু সম্পর্কটা জোর করে হয়েছে একটা বিবাহিত যুগল এর মধ্যে যেটা কিনা ইসলাম এবং সমাজ স্বীকৃত একটা সম্পর্ক সেখানে ঠিক কি উপায় একটা মেয়ের মুখের কথায় বৈবাহিক ধর্ষক বানিয়ে দেয়া হচ্ছে তার হাসবেন্ডকে? এই মেয়ের মুখের কথায় "প্রমানিত সত্য" ব্যাপারটাকে অনেকটা রাস্তার পাশে ভ্যানে সবজি বেচা চাচার কাছে কলমি শাঁক কিনে চাচার কাছে সেই কলমি শাঁক কেনার প্রমানস্বরূপ ক্যাশ মেমো চাইবার মত বলে মনে হয় আমার।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫২

 পুরুষ মানুষ নারীবাদী সিম্প হয় কেন? এর উত্তর খুজতে গিয়ে আমি প্রধানত দুটো কারন পেলাম,

১। মা-বোন থিওরি, এই মা-বোন থিওরি ছোটবেলা থেকে একটা ছেলের মধ্যে পরিবারই ঢুকিয়ে দেয় এই বলে যে মেয়েদের মা-বোন এর চোখে দেখতে হবে, নমনীয় ব্যাবহার করতে হবে, কিন্তু সূক্ষ্মভাবে যেটা এড়িয়ে যাওয়া হয় তা হল ভদ্র ব্যাবহার নারী পুরুষ উভয়ের সাথেই করতে হবে, নারীকে "মা-বোন" ট্যাগ দিয়ে "শুধুমাত্র" নারীদের সাথেই নমনীয় আচরণ করা শেখানো হয় বাচ্চা ছেলেদের পরিবার থেকে যেটা একটা ছেলে ছোটবেলা থেকে নারী মাত্রই তাদের সাথে নমনীয় আচরণ করতে হবে এমন শিক্ষা পায়, আর এই কারনেই মেয়েরা ইচ্ছামতন ব্যাবহার করার সুযোগ পায় তথা নারীবাদী হয়ে ওঠে কারন অপকর্ম করেও তারা ছেলেদের নিকট হতে "মা-বোন" কোটায় নমনীয় আচরণ পেয়ে যায়! একটা ছেলের সাথে ইসলাম অনুযায়ী তাকে জন্ম দেয়া মা একমাত্র তার মা আর তার মায়ের পেটের বোনই তার বোন। এর বাইরে ইসলামে কাজিনদের মধ্যেও বিয়ে হালাল রয়েছে। সুতরাং যাকে তাকে "মা-বোন" বানালেই সে ধর্ম সম্মত উপায় "মা-বোন" হয়ে যায় না। এই যে বাচ্চা ছেলেটাকে ছোটবেলা থেকেই "মা-বোন" দিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করানো হয় সেটাই বড় হয়ে থাকে নারীর করা অপকর্ম দেখেও যে " মা- বোন" কোটায় নারীর বিরুদ্ধে কথা বলবার সাহস পায় না যেটা তাকে সিম্প পুরুষে পরিনত করে।
২। পুরুষের হরমোনজনিত কারন, একটা নির্দিষ্ট বয়স পর পুরুষের সেক্সুয়াল হরমোনে পরিবর্তন আসে যেটা তাদেরকে নারীর প্রতি আকর্ষিত করে এবং তারা নারী সঙ্গ আশা করে, যেটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। কিন্তু এই নারী সঙ্গ পাবার আশায় যে নারীর মন জয় করবার উদ্দেশ্যে অপকর্ম করা নারীর দোষ সরাসরি বলতে আগ্রহী হয় না এবং নারীর সঙ্গ প্রাপ্তির আশায় নারীর করা অবাস্তব অনেক দাবীও নির্দ্বিধায় মেনে নেয়। আর মেয়েরা ছেলেদের এই ছড়ির মত ঘুরিয়ে নিজেদের ডোমিনেশন আরও সুদৃঢ় করে তাদের নারীবাদী থিওরি দ্বারা। পুরুষ এখানেই ধরা খেয়ে অসহায় হয়ে সিম্প পুরুষে পরিনত হয় শুধুমাত্র নারী সঙ্গ প্রাপ্তির আশায়।
পারত, ইসলাম বিরোধী নারীবাদী মেয়ে বাদে যে কোন মেয়ে এমন পুরুষকেই তার সঙ্গী হিসাবে চাইবে যার মধ্যে পুরুষত্ব আছে, মেয়ের কোথায় ওঠে বসে এমন পুরুষের মধ্যে পুরুষত্বএর অভাব থাকে, একজন সুস্থ মানসিকতার মেয়ে কখনওই এই ধরনের পুরুষত্বহীন পুরুষকে তার সঙ্গী হিসাবে চাইবে না। মেয়েরা ডিসিশন মেকারদের পছন্দ করে কারন ডিসিশন মেকাররা প্রতিকুল অবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে যা একটা মেয়ের অনেক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কারন হয়, মেয়ের ডিসিশনে যদি কোন ছেলে চলে তবে সেখানে নিশ্চিতভাবে পুরুষ হয়ে যায় সিম্প।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫১

 বাজারে স্লোগান এর অভাব পড়েছে নাকি মেয়েদের ?

😑 "আমার পিরিয়ড আমার অহঙ্কার" মানে? এখানে অহঙ্কার এর কি হল? পিরিওড দূষিত রক্ত যেটা মানবদেহ দেহে স্বাভাবিকভাবে নির্গত হয়। এই দূষিত রক্ত নিয়ে গর্বের কি হল? পিরিয়ড এর কারনে পেইন হয় কারো কারো,
কিন্তু এই নিয়েই বা গর্ব করার কি আছে? এইটা তো আল্লাহ প্রদত্ত, এমন তো না যে পিরিওড এর পেইন এর জন্য ছেলেরা দায়ী আর মেয়েরা এই ছেলেদের বানানো পেইনকে জয় করে নিয়েছে। সব যায়গায় ছেলেদের সাথে প্রতিযোগীতা করার হীন ইচ্ছা কেন? মেয়েদের এই হিংসা আর বিদ্বেষ এর মেয়েদের অধঃপতনে নামাচ্ছে। যতসব মূর্খ এর দল। পিরিয়ড নিয়ে মেয়েদের এইসব ননসেন্স টক এর জন্যই নারীবাদ একটা হাস্যকর মতবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৫০

 মেয়েদের অতিরিক্ত স্বাধীনতা দিলে মেয়েরা প্রথমে সম অধিকার খোঁজে ছেলের সমান হতে চায়, এরপরে নারিবাদে জড়িয়ে পরে, সবশেষে রসাতলে যায়। আপনি মেয়ের বাবা হলে মেয়েকে শাসন করুন, ভাই হলে ওয়াচে রাখুন, বউ হলে আলোচনা করুন খোলামেলা ভাবে তার সাথে নারীবাদ সম্পর্কে। মেয়েদের অধিকাংশ জাহান্নামী হয় এই অতিরিক্ত স্বাধীনতা পাবার দরুন। নারীবাদ দমন করতে মেয়ে শিশুকে একেবারে ছোটবেলা থেকেই সঠিক শিক্ষাটা দিন।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৯

 রিলেশন ব্রেকআপ এর পর মেয়েদের বেশীরভাগ এর হিংসা এবং বিদ্বেষ জনিত কারন হেতু তার প্রাক্তন প্রেমিকার নামে বিবাহের প্ররোচনায় ধর্ষণ এর অভিযোগ তোলে। আর নারীবান্ধব আইনের সুবাদে সেই সব মেয়েরা ছেলেদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলে।

ব্যাপারটা যে কতটা হাস্যকর সেটা খতিয়ে না দেখলে দিনের পর দিন এই সার্কাস দেখে যেতে হবে। মেয়েরা রিলেশনে থাকা অবস্থায় যে বিষয়টা প্রমানিত হয় সেটা হল, ১। মেয়েটার মত আছে রিলেশনে, ২। শারীরিক মিলনে সে সম্মত হয়েছে বলেই তার প্রেমিক তার সাথে শারীরিক মিলন করতে পেরেছে।
ধর্ষণ হল মেয়ের সম্মতির তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক শারীরিক মিলন করা। যে মেয়েটা একটা ছেলেকে তার সাথে রিলেশনে সম্মত হয়েছে এবং ছেলেটাকে শারীরিক মিলন করার অনুমতি দিয়েছে সেই ছেলের বিরুদ্ধে কি করে সে যে কোন কারনে ব্রেক আপ এর পর ধর্ষক বানিয়ে দেয়? এগুলো কোন ধরনের তামাশা? ধর্ষণ একটা সামাজিক ব্যাধি, ঘৃণিত কাজ, এটাকে এখন মেয়েরা কোন ছেলের উপর প্রতিশোধ নেবার একটা ধরন হিসাবে ব্যাবহার করছে। এছাড়াও অত্যাধুনিক মেয়েরা যাকে তাকে ধর্ষক বানিয়ে অণ্ডকোষে আঘাত করছে, আরও একধাপ এগোন নারীরা পুরুষাঙ্গ কর্তন করে ফেলছে আর এসবকে প্রশ্রয় দিচ্ছে নারীবাদ। এসব কি? ছেলে শিশুকে ধর্ষণ করা অপরাধ শেখানো নারীবাদীরা মেয়ে শিশুকে অণ্ডকোষে আঘাত করা যাবে না শেখায় না কেন? এইটা সমঅধিকার? আটার ননসেন্স, মেয়েদের এই কথায় কথায় যাকে তাকে ধর্ষক বানিয়ে দেবার ফলে পরে আসল ধর্ষক ব্যাপারটাই এককালে সমাজ থেকে উঠে যাবে। সটপ দিস সার্কাস শো। বয়কট ফেমিনিসম।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৮

 ইদানীং পুরুষাঙ্গ কর্তন নিয়ে বহু পোস্ট দেখতে পাচ্ছি সোশ্যাল মিডিয়াতে। এবং আক্রমণকারী বেশীরভাগ নারী। এতে মানুষের হাসির রিয়াক্ট দেখে মনে হচ্ছে এতো খুব ফানি একটা ব্যাপার। হাসবার যোগ্য। ঠিক এইভাবেই এই ঘৃণিত কাজটা ঘটে চএলছে অহরহ কিন্তু ব্যাপারটা দিন শেষে হাসির খোরাক হয়ে যাচ্ছে। লেট মি মেক ওয়ান থিং ক্লিয়ার টু ইউ অল জনগনস, ধর্ষক যদি কোন মেয়েকে ধর্ষণ করতে উদ্যত হয় তবে আত্মরক্ষার খাতিরে সেই মেয়ে অণ্ডকোষে আঘাত অবশ্যই করবে বা প্রয়োজন পড়লে পুরুষাঙ্গ কর্তন অবশ্যই করতে পারে এবং এই কাজে আমার পুরো সমর্থন রয়েছে, আমি নিজেই এই কাজ করবো ইনশাআল্লাহ, কিন্তু আজকালকার বেশীরভাগ ঘটনা সেসব ঘটছে, আই রিপিট "বেশীরভাগ ঘটনা" সেখানে মেয়েরা পুরুষের উপর বিদ্বেষমূলক কারনে পুরুষাঙ্গ কর্তন বা অণ্ডকোষে আঘাত করে থাকে। যেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কোন মেয়ের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ালে বা অনেকদিনের শত্রুরা থাকার দরুন যেমন কোন পুরুষ তাকে ধর্ষণ করার অধিকার রাখেন না ঠিক একইভাবে কোন পুরুষের সাথে কোন মেয়ের দীর্ঘদিনের বা বাকবিতণ্ডায় জড়ালে মেয়েতি পুরুষটির পুরুষাঙ্গ কর্তন বা অণ্ডকোষে আঘাত করার অধিকার রাখে না। ধর্ষণ যেমন গুরুতর অপরাধ, একটা মেয়ের জীবন শেষ করে দেয়, একইভাবে পুরুষাঙ্গ কর্তন বা অণ্ডকোষে আঘাতজনিত কারনে একটা পুরুষের জীবন শেষ করে দেয়। সুতরাং, একটা ছেলেকে ছোটবেলা থেকে যেমন নারীর প্রতি সম্মান দেয়া শেখানো হয়, ধর্ষণ গুরুতর অপরাধ শেখানো হয়, তেমনি একটা মেয়ে শিশুকে ছোটবেলা থেকে পুরুষের প্রতি সম্মানবোধ প্রদর্শন করা শেখানো এবং অণ্ডকোষে আঘাত করা জঘন্য কাজ শেখানো উচিৎ। নারীবাদীদের ভেলকিবাজিটা ঠিক এখানেই। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সংযম না থাকলে কখনও সুস্থ সমাজ গোঁড়া সম্ভব নয়। মেয়েদের সমস্যা হল "নারী বিধায়" তাকে অমোক তমোক সুবিধা সে দাবী করে থাকে কিন্তু পুরুষের অধিকার খর্ব হলে ববা এবং বধির বনে যায়। এই দ্বিচারিতা মেয়েরা করবার সুযোগ পায় নারীবাদ এর মত উগ্র একটা মতবাদ এর সংস্পর্শে থাকবার কারবে। তাই নারীবাদ পরিহার আশু জরুরী।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৭

 বাংলাদেশ এর পরিপ্রেক্ষিতে মেয়েদের ওড়না পরাটা বাধ্যতামূলক করা দরকার এবং মসজিদ এর পাশ দিয়ে কোন মেয়ে গেলে সে যদি হিজাব নাও পরে তার বাধ্যতামূলকভাবে চুল ঢেকে যাওয়া দরকার। বাংলাদেশ ৯০ ভাগ মুসলিম এর দেশ, ইসলাম এর শালীনতার বিধান সব মেয়েদের মেনে চলা উচিৎ। না, জোর করে কোন পোশাক কারো উপর চাপাচ্ছি না। হাইকোর্ট থেকে জাস্টিস এর মূর্তি প্রধানমন্ত্রীরই নির্দেশে সরানো হয়েছে ইসলাম এর স্বার্থে, তাই ইসলাম এর স্বার্থে মেয়েদের শালীনতার বিষয় ওড়না বাধ্যতামূলক এবং মসজিদ এর পাশ দিয়ে গেলে চুল ঢাকা বাধ্যতামূলক করা হোক। ওড়না ছাড়া একমাত্র অসভ্য মেয়েরাই বের হবে আর এই মেয়েরাই মসজিদ এর সামনে চুল খোলা রেখে হেঁটে যাবে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪

  না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...