Sunday, August 22, 2021

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২১

 ফেমিনিস্ট মেয়েদের চুল কেটে ছোট করার একটা ট্রেন্ড আছে। এরা চুল কেটে ছোট করে পুরুষের সমান অধিকার চায় অর্থাৎ ছেলেরা যেমন চুল ছোট রাখলে সমস্যা নেই স্বাভাবিক দেখায় মেয়েদেরও সেই একই রকম স্বাভাবিক মনে হবে এইটা যাতে সবাই মেনে নেয় সেটাই তারা দাবী করে। আমাদের মা, নানী বা তাদের পূর্বজ মহিলারা কোনদিন এই ষ্টুপিড লেভেল এর প্রতিবাদ করেনি কারণ নারীকে নারীর অবয়ব এবং ভূষণেই নারীর নারীত্ব ফুটে ওঠে। সেখানে চুল কেটে ছোট করে মেয়েকে ছেলের মতো দেখালে তার বরং অপারেশন করে একেবারে ছেলে হয়েই পুরুষ এর অধিকার দাবী করা শ্রেয় মনে করি। আর একটা ব্যাপার, এই মেয়েগুলো নিজেরা চুল ছোট রাখে আর কাউকে হিজাব পরা দেখলে উল্টো বলে বসে "চুল ছোট করছ তো লজ্জা কিসের, এইটা তোমার চয়েস" আহাম্মক কোথাকার, হিজাব পরে একজন নারী তার চুল এর হেফাজত করতে, মূর্খ, চুল কেটে ছোট করার জন্য নয়। তবে বিশেষ শারীরিক অসুস্থতার কারনে কোন মেয়ে চুল ছোট করতে বাধ্য হলে তাদের আমি এই যৌক্তিক সমালোচনার শরিক করতে ইচ্ছুক নই। আর আমার এই স্ট্যাটাস তাদের উদ্দেশ্যেও নয়। এই স্ট্যাটাস শুধুমাত্র নারীবাদী মেয়েদের ভন্ডামির আরেকটা বহিঃপ্রকাশ মাত্র

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২০

 সোশ্যাল মিডিয়াতে এই কয়দিনে দেখা যাচ্ছে নতুন টপিক নারীবাদী মেয়েদের, যে মেয়েরা কেন কাজী হতে পারবে না। এইটা নাকি নারীর অধিকার খর্ব এর শামিল। নাউজুবিল্লাহ।

ইসলাম মতে বিবাহ একটা ধর্মীয় কাজ, এইটা বাসার প্রাইভেট পার্টি না যে নিজ নিজ অভিরুচি অনুযায়ী নিয়ম বানাবো। ধর্মীয় ব্যাপার ধর্মীয় নীতি অনুযায়ী পরিচালিত হবে মানুষের মতধারা অনুযায়ী না। মেয়েদের প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট সময় অপবিত্র থাকে তাদের মাসিক এর কারনে আর এই সময় নামাজ এর মতো পবিত্র রীতির উপর মেয়েদের নিষেধাজ্ঞা আছে। এইটা প্রকিতিগত এবং আল্লাহ প্রদত্ত স্বাভাবিক একটা ব্যাপার মেয়েদের জন্য। এই সময়টা মেয়েরা অপবিত্র থাকে বলে তাদের ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে অনেক কাজ শিথিল করে দেয়া হয়। কিন্তু নারীবাদীরা "নিষেধাজ্ঞা" শব্দটা বড় করে হাইলাইট করে "শিথিল" শব্দটাকে সুন্দর সাইডে চাপিয়ে দিতে অত্যন্ত পারদর্শী।
যাইহোক, নিকাহ রেজিস্টার করতে গেলে যে মানুষটি এই পবিত্র কাজ পরিচালনা করবে প্রথম শর্ত তাকে পবিত্র হতে হবে, সুতরাং সে যদি অপবিত্র থাকে তবে তাকে দিয়ে নিকাহ রেজিস্টার করানো যাবে না। এইটা হল ইসলাম ধর্মমতে ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে করা একটা রীতি। এখন কোন মেয়েকে যদি কাজী বানানো হয় তবে নিকাহ রেজিস্টার করার আগে সবাই যদি তাকে জিজ্ঞাসা করে বসে আপু "আপনার মাসিক চলছে কিনা বা মাসিক এর সময় শেষ হয়েছে কিনা?" তবে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে? রাখেন ভাই, কথা এখনও শেষ হয় নাই, আপনি নারীর অধিকার বিষয় সচেতন তাই আপনার চোখে মাসিক হয়েছে তাতে কি এমন হল? অপবিত্র হইছে এটাই আপনি মানেন না, ভালো কথা, আপনি তো তাহলে নাস্তিক, আপনি ঠিক কোন লজিকে কাজীর খোঁজ করছেন?? কাজী দিয়ে বিয়ে দেয়া তো মুসলিম রীতি, নাস্তিকদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য না। আপনারা ইসলাম মানবেন না এইটা যদি ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকে থাকবার দরুন আপনাদের পার্সোনাল স্বাধীনতা হিসাবে এইটা না মানেন তবে সরকার নির্ধারিত কোর্ট আছে, যেখানে আজকাল সব মুসলিমরাও কাজীর বিয়ে পড়ানোর পর কোর্টে দিয়ে কোর্ট ম্যারেজ রেজিস্টার করে আসে আন্তর্জাতিকভাবে এর স্বীকৃতি পাবার জন্য। আপনারা সেখানে যান, মনে রাখতে হবে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকে যেমন আপনারা নারীবাদী নাস্তিকেরা নিজ নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী ধর্ম মানবেন কি মানবেন না সেটা নির্ধারণ করতে পারেন তেমনি একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিমও ইসলাম ধর্মীয় রীতি মেনে বিবাহ এর মতো পবিত্র রীতি পরিচালনায় আগ্রহী হবে। সেই ক্ষেত্রে পৃথিবীর যে কোন দেশে গণতন্ত্রিক রাষ্ট্রে আপনাদের সুবিধার জন্য ইসলাম পরিবর্তিত করার সুযোগ নেই এবং সেটা যদি করতে যান তবে সেটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসাবেই বিবেচিত হবে।
ইতি, কাজী পুরুষ মানুষই থাকবে, মুসলমান এর বিবাহ পুরুষ মানুষ দ্বারাই পরিচালিত হবে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৯

নারীবাদ বিরোধী পুরুষের নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকতে পারে না বলে যে প্রচলিত প্রবাদ তথাকথিত নারীবাদীরা বলে বেড়ায় এর পিছনে প্রধানত দুটো কারণ থাকতে পারে, একনারীবাদী পুরুষ গাইরাত বিহীন এবং নারীর কথামতন কান ধরে ওঠ বস করে থাকে যেটা নারীবাদী মেয়েদের পছন্দ এবং দুই নারীবাদী মেয়েরা লয়ালটি কি জিনিস সেটা সম্পর্কে অজ্ঞ, নিজের মতো দশ পুরুষের সাথে সময় কাটাবার স্বাধীনতা, যৌন সেচ্ছাছারিতার জন্য এদের তাদের দাস নারীবাদী পুরুষ প্রয়োজন। এর বিপরীতে নারীবাদ বিরোধী পুরুষেরা নারীর গোলাম হয়ে চলতে অভ্যস্ত না,বরং তারা তাদের পছন্দ এর নারীকে নিয়ে ঝামেলা বিহীন জীবনে বেশী আগ্রহী। পুরুষের গাইরাত পুরুষকে লিড করবার ক্ষমতা দেয়, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী নারীর উপর পুরুষের অধিকার রয়েছে, রেফারেন্স (পুরুষের দায়িত্ব সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, (তরজমা) পুরুষ নারীর কর্তা। কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং এজন্য যে, পুরুষ তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে। সুতরাং সাধ্বী স্ত্রীরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে আল্লাহর হিফাজতে তারা হিফাজত করে। (সূরা নিসা (৪) : ৩৪)) তাই নারীবাদ বিরোধী পুরুষ টার সঙ্গিনীর উপর নিজের অধিকার জোরালো ভাবে দাবী করলে সেটাকেই নারীবাদী মেয়েরা তাদের উপর জুলুম বলে বিবেচনা করে, অর্থাৎ তারা ধর্ম এর বাইরে গিয়ে ধর্মকে অস্বীকার করে, নাউজুবিল্লাহ। এই নারীবাদী মেয়েদের মধ্যে ইদানিং একটা বড় অংশ হল বোরখা হিজাব পরিহিতা নারীবাদী। সে কথা আরেকদিন আলোচনা করবো, তবে যে জন্য পোস্ট করা আপেক্ষিকভাবে নারীবাদ যেহেতু নারী সম্পর্কিত তাই নারীবাদ এর বিরোধিতা করতে গেলে আপেক্ষিকভাবে নারীর কাজের সমালোচনা করতেই হবে, নারীর স্বাধীনচেতা অবস্থান এর বিরোধিতা করতেই হবে, অর্থাৎ আরও সোজাসুজিভাবে নারী বিদ্বেষ মূলক কিছু কথা এসেই যায়, এতে ইসলাম মেনে চলা নারীদের গায়ে লাগবার কথা না কেননা এই নারী বিদ্বেষ ইসলাম মেনে চলা নারীদের বিরুদ্ধে না, কিন্তু নারীবাদ বিরোধী নারী বিদ্বেষ দেখানো পুরুষদের নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকতে পারবে না এইসব ভণ্ড মার্কা নারীবাদী লজিক আর যাই হোক সুস্থ সমাজে সম্পূর্ণ অচল। অনেক পুরুষ হয়তোবা ভয় পেয়ে থাকেন নারীবাদ এর বিরোধিতা করতে গিয়ে আপেক্ষিক নারী বিদ্বেষ দেখালে বউ পাওয়া যাবে না কিন্তু আদতে বুঝমান ইসলাম মেনে চলা নারীরা এইসব পুরুষকেই নিজের জীবনসঙ্গিনী করার কথা ভেবে থাকে ইসলাম এর স্বার্থে এবং নিজের স্বার্থে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৮

নারীবান্ধব আইনের দ্বারা বেকায়দায় পড়বে নারী নিজেই। যে হারে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার খবর শুনতে পাচ্ছি, মেয়েদের এমনিতেই ঈর্ষা, হিংসা বেশী এরপর এইসব নারী বান্ধব আইন মেয়েদের আরও বিমুখী করে তুলছে, আইন হওয়া উচিৎ লিঙ্গ নিরপেক্ষ, "নারী অবলা" বলে নারী বান্ধব আইন করলে পারত নারীর পক্ষে কাজ করা ভণ্ডরা নারীকে "অবলা" বলেই মেনে নিয়েছে। আমি গার্লস স্কুল কলেজে পড়েছি, মেয়েদের ব্লেম গেম নিজে দেখছি এবং এর শিকার হয়েছি, মেয়েদের এই কিশোরী বয়সের ব্লেম গেমের পূর্ণবয়স্ক রুপ হল নারীবাদ। আইন হোক লিঙ্গ নিরপেক্ষ, সমাজ হোক নারীবাদ মুক্ত।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৭

 খবর খুলেই দেখি এখানে সেখানে ধর্ষণ, অদ্ভুত ব্যাপার। সুশাসন নিশ্চিত করতে এইসব রেপিস্টদের একেবারে গোঁড়া থেকে নির্মূল করতে হবে। তবে ধর্ষণ এর পিছনে ধর্ষকদের পাশাপাশি মেয়েদের ত্রুটি নিয়ে কথা বলার সময় এসেছে। নারীবাদীদের প্রায়ই বলতে শোনা যায় ছেলে শিশুকে মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হলে "নারী পুরুষ সমান অধিকার" এইটা তাদের মগজে গেঁথে দিতে হবে। সাথে সুকৌশলে নারীবাদীরা যে জিনিসটা চেপে যায় সেইটা হল মেয়েদের শালীনতার শিক্ষা দেয়া। মেয়েদেরকে ছোটবেলা থেকেই যদি ওড়না, হিজাব এর ব্যাবহার শিখানো যায়, ছেলে মেয়ে এক না,লিঙ্গ ভিত্তিক পার্থক্য এর কারনে মানসিক এবং শারীরিক যে একটা ফারাক আছে যেটা কিনা প্রকিতিগত এবং এই ফারাক হেতু মেয়েদেরকে বেশ কিছু ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এইসব ব্যাপারে মুখে নারীবাদীরা কুলুপ এঁটে রাখে। উপরোক্ত "নারী পুরুষ সমান অধিকার" বুলি মাথায় গাঁথবার ফলে গোড়াতেই যে গলদ তারা তৈরি করে তার ফলাফল ছেলে এবং। মেয়ে শিশু দুইজনেই বড় হলে ভোগে বিভিন্ন ধরনের অপসামাজিক কার্যকলাপ এর মধ্য দিয়ে। নারীবাদীরা আসলে কি চাইতেছে? একটা মেয়ে ওড়না ছাড়া জিন্স টপ পরে ঘুরে বেরাবে আর সেইটা দেখে ছেলেরা দরবেশ বাবা হয়ে হাত পা গুঁজে বসে থাকবে? ওয়াট ননসেন্স? লিভটুগেদারে বিশ্বাসী নারীবাদীগণ নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী নিজে ইচ্ছামতন পোশাক পরে ঘুরে বেড়াইলে দোষ নাই, যার ইচ্ছা তার সাথে গিয়ে লিভটুগেদার করলেও দোষ নাই কারণ যেহেতু তারা মানে "নারী নিজের স্বাধীনতা ভোগ করবার অধিকার রাখে" এবং লিভটুগেদার নারী পুরুষ করতেই পার কারণ নারী পুরুষ একে অপরের উপর আকর্ষিত হয় কিন্তু এই একই মুখে খোলামেলা পোশাক পরিহিতা কোন নারীকে দেখে কোন পুরুষ উত্তেজিত হলে সেইটা তখন আর "নারী পুরুষ একে অপরের উপর আকর্ষিত হয়' নীতি বিকল হয়ে যায় তাদের ষ্টুপিড মতধারা অনুযায়ী। এই দ্বিমুখী আচরণ এর কারনে মেয়েরা অলরেডি জাহান্নামী বেশী, তার উপরে স্বাধীনচেতা বিশৃঙ্খলা ইত্যাদিকে প্রমোট করে এরা সমাজকে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ছেলেদের ধর্ষক বলবার আগে মেয়েদের ওড়নার ব্যাবহার, শালীন পোশাক পরিধান করার ট্রেনিং করানো হোক বাসা থেকে, একেবারে ছোটবেলা থেকেই, তাদের পিতা মাতা এবং নিকটস্থ আত্মীয় এর কাছ থেকে তবেই এসব থেকে মুক্ত হবে সমাজ অনেকাংশে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৬

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ পোস্ট পুরো পড়ে এবং সঠিকভাবে পোস্ট এর ভাবার্থ না বুঝে কেউ অহেতুক তর্ক এর জন্য কমেন্ট করবেন না।

প্রসঙ্গঃ পাশ্চাত্য নারীবাদ বিরোধী অবস্থান এবং ইসলামী নারীবাদ বিরোধী স্থান
নারীবাদ এর ধরন এবং এর পরিবেশ এর উপর এর বিরোধী অবস্থান নির্ভর করে। পশ্চিমা বিশ্বতে নারীবাদ বিরোধী অবস্থানকারীরা নারীর বাইরে গিয়ে কাজ করা সমর্থন করবে দেখবেন, নারী ছোট পোশাক নিয়েও তাদের আপত্তি নেই কিন্তু আমাদের বিশেষ করে মুসলিম যারা নারীবাদী বিরোধী আছি তারা নারীর বাইরে গিয়ে কাজ করাটা সমর্থন করি না, খোলামেলা ছোট পোশাক সম্পূর্ণ হারাম নারীর জন্য। ফেসবুকে কিছু বিদেশী গ্রুপে দেখলাম এই বিশয়গুলো নিয়ে এদেশীয় নারীবাদী বিরোধী লোকজনের সাথে বিদেশীদের বড় মাপের তর্ক হয়ে গেছে। ব্যাপারটা খুবই ক্লিয়ার, বিদেশিরা যারা নারীবাদ পছন্দ করে না তারা নারীদের উগ্র আচরণ, পুরুষ বিদ্বেষকে হাইলাইট করে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, এর পাশাপাশি আমাদের এদেশীয় ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী যারা নারীবাদ এর বিরোধিতা করি আমরা তারা নারীদের ইসলাম সম্মত উপায় বাইরে গিয়ে কাজ না করা এবং পোষাকে শালীনতার বিষয়টাকে ফোকাস করে থাকি।
প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে নারীবাদ বিরোধী ভিনদেশীদের এ কেমন ধরনের নারীবাদ বিরোধী অবস্থান? ভাই, ওদের ধর্ম আলাদা, কালচার আলাদা এবং মনোভাব আলাদা, নারীবাদ বিরোধী অবস্থান কারী একটা পুরুষ বা নারী বিদেশে মেয়েদের জিন্স, টপ পড়া থেকে শুরু করে রাত ১২ তায় বাইরে গিয়ে চাকরী করাকেও সহজে মেনে নেবে তাদের জাতিগত এবং ধর্মীয় দিক থেকে যেটা আমাদের ইসলামে সম্ভব না। তাই অযথা তাদেরকে সাথে নারীবাদ বিরোধী অবস্থান নিয়ে বিরোধিতার কোন যৌক্তিক কারণ আমি দেখতে পাচ্ছিনা। যে বিষয়গুল কমন অর্থাৎ,নারীদের হিপোক্রিসি, নারী বলে বিশেষ সুবিধা নেয়া, ছলনা করা ইত্যাদি যেগুলোর সাথে তাদের সাথে আমরা একমত সেই বিষয়গুলো নিয়েই তাদের সাথে একসাথে কাজ করলে বরং গ্লোবালি নারীবাদ বিরোধী অবস্থান শক্তিশালী হবে। তাদেরকে তাদের কালচার এর বাইরে গিয়ে জোরাজুরি করবার দরকার দেখিনা, তারাও আমাদের ইসলামী কালচার এবং ধর্মমত নিয়ে বিরোধিতা করবার কারণ দেখিনা। এই বিষয়টা মাথায় নিয়ে এদেশীয় যারা নারীবাদ বিরোধী কার্যক্রমে বিদেশী গ্রুপের সাথে কাজ করছেন তারা এগিয়ে চললে ইনশাল্লাহ নারীবাদ সমাজ থেকে মুছে গিয়ে একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪

  না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...