ফেমিনিস্ট মেয়েদের চুল কেটে ছোট করার একটা ট্রেন্ড আছে। এরা চুল কেটে ছোট করে পুরুষের সমান অধিকার চায় অর্থাৎ ছেলেরা যেমন চুল ছোট রাখলে সমস্যা নেই স্বাভাবিক দেখায় মেয়েদেরও সেই একই রকম স্বাভাবিক মনে হবে এইটা যাতে সবাই মেনে নেয় সেটাই তারা দাবী করে। আমাদের মা, নানী বা তাদের পূর্বজ মহিলারা কোনদিন এই ষ্টুপিড লেভেল এর প্রতিবাদ করেনি কারণ নারীকে নারীর অবয়ব এবং ভূষণেই নারীর নারীত্ব ফুটে ওঠে। সেখানে চুল কেটে ছোট করে মেয়েকে ছেলের মতো দেখালে তার বরং অপারেশন করে একেবারে ছেলে হয়েই পুরুষ এর অধিকার দাবী করা শ্রেয় মনে করি। আর একটা ব্যাপার, এই মেয়েগুলো নিজেরা চুল ছোট রাখে আর কাউকে হিজাব পরা দেখলে উল্টো বলে বসে "চুল ছোট করছ তো লজ্জা কিসের, এইটা তোমার চয়েস" আহাম্মক কোথাকার, হিজাব পরে একজন নারী তার চুল এর হেফাজত করতে, মূর্খ, চুল কেটে ছোট করার জন্য নয়। তবে বিশেষ শারীরিক অসুস্থতার কারনে কোন মেয়ে চুল ছোট করতে বাধ্য হলে তাদের আমি এই যৌক্তিক সমালোচনার শরিক করতে ইচ্ছুক নই। আর আমার এই স্ট্যাটাস তাদের উদ্দেশ্যেও নয়। এই স্ট্যাটাস শুধুমাত্র নারীবাদী মেয়েদের ভন্ডামির আরেকটা বহিঃপ্রকাশ মাত্র
Sunday, August 22, 2021
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২০
সোশ্যাল মিডিয়াতে এই কয়দিনে দেখা যাচ্ছে নতুন টপিক নারীবাদী মেয়েদের, যে মেয়েরা কেন কাজী হতে পারবে না। এইটা নাকি নারীর অধিকার খর্ব এর শামিল। নাউজুবিল্লাহ।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৯
নারীবাদ বিরোধী পুরুষের নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকতে পারে না বলে যে প্রচলিত প্রবাদ তথাকথিত নারীবাদীরা বলে বেড়ায় এর পিছনে প্রধানত দুটো কারণ থাকতে পারে, একনারীবাদী পুরুষ গাইরাত বিহীন এবং নারীর কথামতন কান ধরে ওঠ বস করে থাকে যেটা নারীবাদী মেয়েদের পছন্দ এবং দুই নারীবাদী মেয়েরা লয়ালটি কি জিনিস সেটা সম্পর্কে অজ্ঞ, নিজের মতো দশ পুরুষের সাথে সময় কাটাবার স্বাধীনতা, যৌন সেচ্ছাছারিতার জন্য এদের তাদের দাস নারীবাদী পুরুষ প্রয়োজন। এর বিপরীতে নারীবাদ বিরোধী পুরুষেরা নারীর গোলাম হয়ে চলতে অভ্যস্ত না,বরং তারা তাদের পছন্দ এর নারীকে নিয়ে ঝামেলা বিহীন জীবনে বেশী আগ্রহী। পুরুষের গাইরাত পুরুষকে লিড করবার ক্ষমতা দেয়, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী নারীর উপর পুরুষের অধিকার রয়েছে, রেফারেন্স (পুরুষের দায়িত্ব সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, (তরজমা) পুরুষ নারীর কর্তা। কারণ আল্লাহ তাদের একের উপর অন্যকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং এজন্য যে, পুরুষ তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে। সুতরাং সাধ্বী স্ত্রীরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে আল্লাহর হিফাজতে তারা হিফাজত করে। (সূরা নিসা (৪) : ৩৪)) তাই নারীবাদ বিরোধী পুরুষ টার সঙ্গিনীর উপর নিজের অধিকার জোরালো ভাবে দাবী করলে সেটাকেই নারীবাদী মেয়েরা তাদের উপর জুলুম বলে বিবেচনা করে, অর্থাৎ তারা ধর্ম এর বাইরে গিয়ে ধর্মকে অস্বীকার করে, নাউজুবিল্লাহ। এই নারীবাদী মেয়েদের মধ্যে ইদানিং একটা বড় অংশ হল বোরখা হিজাব পরিহিতা নারীবাদী। সে কথা আরেকদিন আলোচনা করবো, তবে যে জন্য পোস্ট করা আপেক্ষিকভাবে নারীবাদ যেহেতু নারী সম্পর্কিত তাই নারীবাদ এর বিরোধিতা করতে গেলে আপেক্ষিকভাবে নারীর কাজের সমালোচনা করতেই হবে, নারীর স্বাধীনচেতা অবস্থান এর বিরোধিতা করতেই হবে, অর্থাৎ আরও সোজাসুজিভাবে নারী বিদ্বেষ মূলক কিছু কথা এসেই যায়, এতে ইসলাম মেনে চলা নারীদের গায়ে লাগবার কথা না কেননা এই নারী বিদ্বেষ ইসলাম মেনে চলা নারীদের বিরুদ্ধে না, কিন্তু নারীবাদ বিরোধী নারী বিদ্বেষ দেখানো পুরুষদের নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকতে পারবে না এইসব ভণ্ড মার্কা নারীবাদী লজিক আর যাই হোক সুস্থ সমাজে সম্পূর্ণ অচল। অনেক পুরুষ হয়তোবা ভয় পেয়ে থাকেন নারীবাদ এর বিরোধিতা করতে গিয়ে আপেক্ষিক নারী বিদ্বেষ দেখালে বউ পাওয়া যাবে না কিন্তু আদতে বুঝমান ইসলাম মেনে চলা নারীরা এইসব পুরুষকেই নিজের জীবনসঙ্গিনী করার কথা ভেবে থাকে ইসলাম এর স্বার্থে এবং নিজের স্বার্থে।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৮
নারীবান্ধব আইনের দ্বারা বেকায়দায় পড়বে নারী নিজেই। যে হারে মিথ্যা ধর্ষণ মামলার খবর শুনতে পাচ্ছি, মেয়েদের এমনিতেই ঈর্ষা, হিংসা বেশী এরপর এইসব নারী বান্ধব আইন মেয়েদের আরও বিমুখী করে তুলছে, আইন হওয়া উচিৎ লিঙ্গ নিরপেক্ষ, "নারী অবলা" বলে নারী বান্ধব আইন করলে পারত নারীর পক্ষে কাজ করা ভণ্ডরা নারীকে "অবলা" বলেই মেনে নিয়েছে। আমি গার্লস স্কুল কলেজে পড়েছি, মেয়েদের ব্লেম গেম নিজে দেখছি এবং এর শিকার হয়েছি, মেয়েদের এই কিশোরী বয়সের ব্লেম গেমের পূর্ণবয়স্ক রুপ হল নারীবাদ। আইন হোক লিঙ্গ নিরপেক্ষ, সমাজ হোক নারীবাদ মুক্ত।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৭
খবর খুলেই দেখি এখানে সেখানে ধর্ষণ, অদ্ভুত ব্যাপার। সুশাসন নিশ্চিত করতে এইসব রেপিস্টদের একেবারে গোঁড়া থেকে নির্মূল করতে হবে। তবে ধর্ষণ এর পিছনে ধর্ষকদের পাশাপাশি মেয়েদের ত্রুটি নিয়ে কথা বলার সময় এসেছে। নারীবাদীদের প্রায়ই বলতে শোনা যায় ছেলে শিশুকে মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হলে "নারী পুরুষ সমান অধিকার" এইটা তাদের মগজে গেঁথে দিতে হবে। সাথে সুকৌশলে নারীবাদীরা যে জিনিসটা চেপে যায় সেইটা হল মেয়েদের শালীনতার শিক্ষা দেয়া। মেয়েদেরকে ছোটবেলা থেকেই যদি ওড়না, হিজাব এর ব্যাবহার শিখানো যায়, ছেলে মেয়ে এক না,লিঙ্গ ভিত্তিক পার্থক্য এর কারনে মানসিক এবং শারীরিক যে একটা ফারাক আছে যেটা কিনা প্রকিতিগত এবং এই ফারাক হেতু মেয়েদেরকে বেশ কিছু ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে এইসব ব্যাপারে মুখে নারীবাদীরা কুলুপ এঁটে রাখে। উপরোক্ত "নারী পুরুষ সমান অধিকার" বুলি মাথায় গাঁথবার ফলে গোড়াতেই যে গলদ তারা তৈরি করে তার ফলাফল ছেলে এবং। মেয়ে শিশু দুইজনেই বড় হলে ভোগে বিভিন্ন ধরনের অপসামাজিক কার্যকলাপ এর মধ্য দিয়ে। নারীবাদীরা আসলে কি চাইতেছে? একটা মেয়ে ওড়না ছাড়া জিন্স টপ পরে ঘুরে বেরাবে আর সেইটা দেখে ছেলেরা দরবেশ বাবা হয়ে হাত পা গুঁজে বসে থাকবে? ওয়াট ননসেন্স? লিভটুগেদারে বিশ্বাসী নারীবাদীগণ নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী নিজে ইচ্ছামতন পোশাক পরে ঘুরে বেড়াইলে দোষ নাই, যার ইচ্ছা তার সাথে গিয়ে লিভটুগেদার করলেও দোষ নাই কারণ যেহেতু তারা মানে "নারী নিজের স্বাধীনতা ভোগ করবার অধিকার রাখে" এবং লিভটুগেদার নারী পুরুষ করতেই পার কারণ নারী পুরুষ একে অপরের উপর আকর্ষিত হয় কিন্তু এই একই মুখে খোলামেলা পোশাক পরিহিতা কোন নারীকে দেখে কোন পুরুষ উত্তেজিত হলে সেইটা তখন আর "নারী পুরুষ একে অপরের উপর আকর্ষিত হয়' নীতি বিকল হয়ে যায় তাদের ষ্টুপিড মতধারা অনুযায়ী। এই দ্বিমুখী আচরণ এর কারনে মেয়েরা অলরেডি জাহান্নামী বেশী, তার উপরে স্বাধীনচেতা বিশৃঙ্খলা ইত্যাদিকে প্রমোট করে এরা সমাজকে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ছেলেদের ধর্ষক বলবার আগে মেয়েদের ওড়নার ব্যাবহার, শালীন পোশাক পরিধান করার ট্রেনিং করানো হোক বাসা থেকে, একেবারে ছোটবেলা থেকেই, তাদের পিতা মাতা এবং নিকটস্থ আত্মীয় এর কাছ থেকে তবেই এসব থেকে মুক্ত হবে সমাজ অনেকাংশে।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৬
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ পোস্ট পুরো পড়ে এবং সঠিকভাবে পোস্ট এর ভাবার্থ না বুঝে কেউ অহেতুক তর্ক এর জন্য কমেন্ট করবেন না।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
বোরখা পরিহিতা মায়ের ছেলের সাথে ক্রিকেট খেলায় নারীবাদীদের এতো সমস্যা কেন ঠিক বোধগম্য না। এটা এক ধরনের মানসিক ব্যাধি তাদের। তারা চায় মেয়েদের...
-
বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছাড়া সচারচর দৈনন্দিন জীবনে শাড়ি পরে না বাংলাদেশ এর "বেশিরভাগ" নারী। এরপরেও "শাড়িতেই নারী" মানুষ ...