ধর্ষণ এর জন্য পোশাককেই দায়ী করবো আমি। জি, অবশ্যই পোশাক দায়ী? প্রশ্ন হতে পারে কেন? এর পিছনেও বিজ্ঞান এর ব্যাখ্যা আছে, জীবনবিজ্ঞান বলে ছেলেদের সেক্স হরমোন একটিভ থাকে আর মেয়েদের সেক্স হরমোন থাকে ইনএকটিভ , একটা অশালীন পোশাক পরিহিতা মেয়েকে কোন ছেলে দেখলে তার মধ্যে সেক্স হরমোন একটিভ সেক্স হরমোন তাকে প্রলুদ্ধ করে মেয়েটার সাথে মিলিত হবার। ফলশ্রুতিতে সেই মেয়েটাকে না পেলে সে তখন শিশু ধর্ষণ এর মতো হারাম কাজ এর দিকে ধাবিত হয়। সে শিশুর বয়স হতে পারে ৫ বছর বা ৫ মাস। ইসলাম বৈজ্ঞানিকভাবে অনেক কিছু বহু আগেই ব্যাখ্যা করেছে, এইজন্য ইসলাম নারীদের শালীন পোশাক পরার ব্যাপারে জোর দিয়েছে। আপনার বাচ্চা ছেলেকে হাফ প্যান্ট পরিয়ে আপনি অনায়াসে বাইরে ঘুরতে বের হতে পারেন কিন্তু সেই একই কাজ আপনি আপনার বাচ্চা মেয়েকে সাথে নিয়ে করতে পারেন না। হাফ প্যান্ট পরিহিতা বাচ্চা মেয়েকে কোন পুরুষ যদি সেক্স অবজেক্ট ভেবে খারাপ চিন্তা মনে আনে তবে এর জন্য দায়ী বাচ্চা মেয়েটির মা বাবা। বলছিনা বাধ্যতামূলক বোরখা পরতেই হবে, বোরখা ছাড়াও শালীন পোশাক হয়। আপনার মেয়েকে ছোটবেলা থেকে শালীন সালওয়ার কামিজ এর সাথে ওড়না এবং হিজাব পোরানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। মেয়েকে ছোটবেলা থেকে শালীনতার শিক্ষা দিন, তাকে শিক্ষা দিন সে তার ভাইয়ের মতন খোলামেলা ভাবে চলাফেরা করতে পারবে না, কারন সে মেয়ে আর শালীন ভাবে চলাফেরাই তার নিরাপত্তা সুরক্ষা করবে। একটা ৫-৭ বছরের বাচ্চা ছেলেকে বাসায় উলঙ্গ অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে দেখলে সেটাকে কেউই খারাপ চোখে দেখবে না। খুবই সাধারনভাবে নেবে সবাই কিন্তু একই বয়সের একটা বাচ্চা মেয়ে উলঙ্গ অবস্থায় ঘুরে বেড়ালে সেটা দৃষ্টিকটু দেখাবে। গোসল করানোর সময় ছেলে শিশু মেয়ে শিশুকে একসাথে গোসল করায় অনেক পরিবার, এক্ষেত্রে ছেলে শিশুকে প্যান্ট জামা খুলে গোসল করানো গেলেও মেয়ে শিশুকে কোন অবস্থাতেই তার ভাই এর সাথে প্যান্ট জামা খুলে গোসল করানো উচিৎ নয়। এগুলো বেসিক শালীনতা। যেটা ছোটবেলা থেকেই একটা মা বাবা তাদের মেয়েকে শেখাবে, নতুবা আপনার মেয়েই বড় হয়ে স্বাধীনচেতা অশ্লীল ইসলাম বিরোধী নারীবাদী হিসাবে বেড়ে উঠবে। ছেলে মেয়ে এক না। তাদের ভিন্ন চিন্তা, রুচি ভিন্ন। তাদের শালীনতার শিক্ষা টাও ভিন্ন হবে। এগুলো একটা সভ্য মুসলিম পরিবার এর পারিবারিক শিক্ষা।
Saturday, May 29, 2021
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-৪
বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছাড়া সচারচর দৈনন্দিন জীবনে শাড়ি পরে না বাংলাদেশ এর "বেশিরভাগ" নারী। এরপরেও "শাড়িতেই নারী" মানুষ ঠিক কোন সেন্সে বলে এটা বোধগম্য নয় আমার কাছে। শারীর উৎপত্তিস্থল ভারত। হিন্দু সমাজের নারীরা শাড়ি পরার প্রচলন শুরু করেছিল। কালের বিবর্তনে আজ মুসলিম প্রধান অনেক দেশের মেয়েরাই শাড়ি পরে, আমি নিজেই পরি। তবে ওই কেবল "বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রামেই"। বছরে ৩৬৫ দিন এর মধ্যে বেশিরভাগ নারী ৩০ দিন শাড়ি পরে কিনা সন্দেহ আছে আমাদের দেশে কিন্তু এরপরেও ঠিক কোন সেন্সে একটা মুসলিম প্রধান দেশে "শাড়িতেই নারী" জাতীয় স্ট্যাটাস দেয় একমাত্র তারাই বলতে পারবে। বাংলাদেশে রেগুলার শাড়ি পরিহিতা আছে, অবশ্যই আছে, কিন্তু তাদের সংখ্যাটা শাড়ি না পরা মেয়েদের থেকে অনেক অনেক কম। মেয়েরা হয় বোরখার সাথে হাত মোজা বা পা মোজা অথবা শুধু বোরখা, অথবা সালওয়ার কামিজ এর সাথে হিজাব ওড়না অথবা শুধু সালওয়ার কামিজ আর ওড়না এই জাতীয় পোশাক বেশি পরে থাকে এর সাংবিধানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী একটা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে এটাই স্বাভাবিক এবং বহুল প্রচলিত একটা ব্যাপার। শাড়ি কখনও মুসলিম প্রধান দেশের মেয়েদের "প্রধান" পোশাক হতে পারে না। যেহেতু কালের বিবর্তনে অনেক বিদেশী পোশাক এর আগমন ঘটেছে মেয়েদের জন্য তাই শাড়ি শালীনভাবে একটা মেয়ে পরতেই পারে তবে এতে এটা কোনোভাবেই একটা মুসলিম প্রধান দেশের নারীদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয় যে "শাড়িতেই নারী"। অধিকাংশ মেয়ে সালওয়ার কামিজে অভ্যস্ত এদেশে, আমি নিজেও এর থেকে আলাদা নই আর এটাই সাংবিধানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী একটা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে মেয়েদের সাধারন শালীন পোশাক হিসাবে পরিচিত। "শাড়িতেই নারী" বলা থেকে মুসলিমদের বিরত থাকা প্রয়োজন বলে মনে করি।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-৩
"আপনি করতে পারেন" আর "আপনাকে করতে হবেই" এই দুই লাইন এর মধ্যে বিরাট ফারাক বিরাজমান। এই ফারাক বুঝতে না পারলে আপনাকে এই ফারাক এর মধ্যে পড়ে হাবুডুবু খেতে হবে। নাস্তিক এবং নারীবাদী সমাজ আমাদের পবিত্র নবীজির চার বিয়ে একটা ট্রেণ্ড ছড়িয়ে দিয়েছে সমাজে যে ইসলামে চার বিয়ে করার কথা বলে গিয়েছেন নবীজি। নবীজি চার বিয়ে করেছেন কথা সত্যি কিন্তু পবিত্র কোরআন এর কোথাও বলা নেই যে পুরুষকে বাধ্যতামূলক চার বিয়ে করতেই হবে। একইভাবে নবীজির আয়েশাকে ৬ বছরে বিয়ে নিয়ে নাস্তিক এবং নারীবাদী সমাজ এর মন্তব্য হল নবীজি নাকি শিশুকামী ছিলেন, নাউজুবিল্লাহ মিন জালেক। এই সল্প শিক্ষিত মূর্খ নাস্তিক এবং নারীবাদী সমাজ এর বোধজ্ঞান ঠিক কোন পর্যায় এই বিষয় আমি শিওর নই, শিশুকাম হল শিশুদের উপর যৌন কামনা থাকা এমন কোন পুরুষ বা নারী যারা প্রায়শ চেষ্টা করে থাকে শিশুদের উপর যৌন নির্যাতন চালানোর। এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ একজন নারী এবং পুরুষ এর মধ্যে স্বাভাবিক এবং ধর্ম ও সমাজ স্বীকৃত শারীরিক মিলনকে তারা ঠিক কোন লজিকে একসাথে মিলায় এই বিষয় আমার ধারনা নেই। এমন কোন কিতাব নেই যার রেফারেন্স এটা প্রমাণ করতে সমর্থ যে আমাদের পবিত্র নবীজি আয়েশাকে জোরপূর্বক বিবাহ করেছিলেন। কিন্তু আয়েশার বয়স ৬ ছিল বলে নবীজির আয়েশাকে বিবাহ করাকে এরা শিশুকাম বলে চালিয়ে দিল নিজের মতন করে। আয়েশা ঋতুবতী হয়েছিল ৯ বছরে এর আগে নবীজি তার সাথে ফুলশয্যা করেননি। অর্থাৎ ৯ বছর বয়সে আয়েশা তার স্বামীর সাথে মিলিত হবার জন্য উপযুক্ত হয়েছিল। কথা অনেক সময় এখান থকেই শুরু করতে চায় নাস্তিক এবং নারীবাদীরা। তাদের ভাষ্যমতে, ঋতুবতী হলেই বিয়ের উপযোগী হয় নাকি মেয়েরা? একটা ৯ বছরের বাচ্চা যৌন মিলন সম্পর্কে কি বোঝে? এই হচ্ছে তাদের বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন। এর উত্তর হল ঋতুবতী হওয়া মানে সেই মেয়ে তার জীবন এর ইতিমধ্যে একটা ধাপ পার হয়ে আরেকটা ধাপে প্রবেশ করেছে সেই ধাপে সে মা হতে সক্ষম। আর মা হতে সক্ষম যে মেয়ে তাকে সামাজিক এবং ধর্মীয় রীতি মেনে কোন পুরুষ যদি বিবাহ করে তাহলে তাদের মধ্যে যৌনাচারকে স্বাভাবিক বলেই গণ্য করা হবে, এই ক্ষেত্রে মেয়ের ঋতুবতী হয়ার ব্যাপারটা ৯ বছরে হল বা ১২ বছরে হল বা এর পরে হল এর সাথে কোন সম্পর্ক নেই। আর যে মেয়ে ঋতুবতী হবে সে প্রাকিতিকভাবেই যৌনাচার সম্পর্কে জানবে এবং ধাপে ধাপে সে বিয়ে, সংসার, স্বামী, পরিবার এসব বিষয় সম্পর্কে উপলদ্ধি করতে পারবে। সুতরাং, নবীজির আয়েশাকে বিবাহ করাকে কোনোভাবেই শিশুকাম বলা যাবে না। তবে এটাকে ডিফেণ্ড করতে গিয়ে অনেকেই আরবের মেয়েরা আগে ঋতুবতী হয়, তাদের শারীরিক গ্রোথ এশিয়ার মেয়েদের থেকে অনেক বেশি জাতীয় কথা বলে থাকেন। আর ঠিক এই মূর্খতাকে কাজে লাগিয়েই নাস্তিক এবং নারীবাদীরা আরও একধাপ এগিয়ে নবীজির সমালোচনা করার সুযোগ পায়, একজন মানুষ এর শারীরিক গ্রোথ তার জেনেটিক্স এর উপর নির্ভর করে, তার পূর্বপুরুষ এর জেনেটিক্স। ইউরোপ এর সাদা দম্পতি ঢাকায় এসে বসবাস করলে তাদের সন্তান এদেশীয়দের মতু গায়ের রং নিয়ে জন্মাবে না শুধুমাত্র এই দেশীয় "আবহাওয়া বা জলবায়ুগত কারনে", তাদের সন্তান শ্বেতাঙ্গ হবে কারন তারা শ্বেতাঙ্গ। একটা মেয়ে কখন ঋতুবতী হবে এইটা তার জেনেটিক্স। এর উপর নির্ভর করবে, ""আবহাওয়া বা জলবায়ুগত " কারনের জন্য হয়। আমাদের নবীজির করা প্রত্যেকটি কাজের উপযুক্ত ব্যাখ্যা আছে, সুতরাং এইসব লজিক বহির্ভূত কথা বলে কেউ যাতে সমাজ এবং ধর্ম বিরোধী নাস্তিক এবং নারীবাদীদের আমাদের পবিত্র নবীজিকে সমালোচনার সুযোগ না করে দেয় সেই ব্যাপারে আমাদের লক্ষ্য রাখা আশু জরুরি।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-২
না ভাই, ইসলাম নারী পুরুষ সম অধকার সুনিশ্চিত করে নাই। হ্যাঁ, সম অধিকার সুনিশ্চিত করে নাই। ইসলাম পুরুষকে পুরুষের ন্যায্য অধিকার দিয়েছে নারীকে নারীর ন্যায্য অধিকার দিয়েছে। শিক্ষা লাভ করলেই মানুষ শিক্ষিত হয় না। শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধ এবং নীতিগত জ্ঞান আরোহণ করলেই মানুষ শিক্ষিত হয়। নারীবাদী মেয়েরা অনেকেই দেখলাম শিক্ষা লাভ করে এসেছেন, কিন্তু তাদের নীতিগত মূল্যবোধ জঘন্য ধরনের কম বা নেই। লিঙ্গ এর ভিন্নতার ভেদে পুরুষের এবং নারীর কাজের ধরন আলাদা।তাই তাদের আলাদা কাজের থেকে প্রাপ্ত প্রাপ্তির ধরনও আলাদা। এই ক্ষেত্রে পুরুষ যেটা পাচ্ছে সেটা নারী পাবে না বা নারীকে পেতে হবে এই ধরনের ষ্টুপিড কথা একমাত্র নারীবাদীদের পক্ষেই বলা সম্ভব। নাস্তিক এবং নারীবাদীরা সম অধিকার এবং স্বাধীনতায় বিশ্বাসী কিন্তু কেউ সেচ্ছায় ধর্ম মেনে পর্দা করতে চাইলে এখানে ঠিক কারনে তারা হস্তক্ষেপ করতে চায় এটার জবাব তারা দিতে পারেনি আজ পর্যন্ত। নারীবাদ পরিহার করা শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন যে কোন নারী পুরুষ এর কাম্য বলে মনে করি এসব কারনে আমি।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-১
বোরখা পরিহিতা মায়ের ছেলের সাথে ক্রিকেট খেলায় নারীবাদীদের এতো সমস্যা কেন ঠিক বোধগম্য না। এটা এক ধরনের মানসিক ব্যাধি তাদের। তারা চায় মেয়েদের নিজেদের স্বাধীনভাবে পোশাক পরতে দেয়া হোক আবার কেউ সেচ্ছায় বোরখা হিজাব ওড়না পরলে তাদেরকে নাকি পুরুষেরা শিকল দিয়ে জোর করে বেঁধে রেখেছে বলে বুলি আওড়ায় তারা, এরকম ডবোল স্ট্যান্ডার্ড মার্কা মেয়েদের সংখ্যা ইদানিং অনেক দেখা যাচ্ছে। আমি হিজাব ওড়না পরি আমার নিজের ইচ্ছায় এবং আমি শিওর যে সব নারীরা বোরখা পড়েন তারাও তাদের সদিচ্ছায় বোরখা পরেন, এখানে পুরুষ সঙ্গীর জোরাজুরির প্রশ্নই আসে না। নারীবাদীদের মুসলিমরা জোর করেনি বোরখা হিজাব পরতে কিন্তু কেউ বোরখা হিজাব ওড়না পরলে তাদের কেন সমস্যা তৈরি হয় এই বিষয় আমার বোধগম্য নয়। নারীবাদীদের দাপটে এখন শালীন ভাবে চলাফেরা করা দায়। অসভ্য মেয়েদের সমাহার এই নারীবাদ।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
বোরখা পরিহিতা মায়ের ছেলের সাথে ক্রিকেট খেলায় নারীবাদীদের এতো সমস্যা কেন ঠিক বোধগম্য না। এটা এক ধরনের মানসিক ব্যাধি তাদের। তারা চায় মেয়েদের...
-
বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছাড়া সচারচর দৈনন্দিন জীবনে শাড়ি পরে না বাংলাদেশ এর "বেশিরভাগ" নারী। এরপরেও "শাড়িতেই নারী" মানুষ ...