আমি নারী এবং সরাসরি নারী পুরুষ সমান অধিকার নীতি সমর্থন করিনা। ইসলাম প্রদত্ত নারীর অধিকার এ রবাইরে গিয়ে নারীবাদীদের নারী পুরুষ সমান অধিকার চাওয়াটা সমাজকে অস্থিতিশীল এবং অশ্লীল ভাবধারার দিকে ধাবিত করে বলে মনে করি। ইসলাম নারীকে তার প্রাপ্য অধকার দিয়েছে ইতিমধ্যে, সেটা পুরুষের চাইতে বেশী অধিকার না, পুরুষকে পুরুষের ক্ষমতা অনুযায়ী ইসলাম অধিকার দিয়েছে যেটা পুরুষের জন্য মানানসই একইভাবে নারীকে নারীর ক্ষমতা অনুযায়ী অধিকার দিয়েছে ইসলাম যেটা মানানসই, এর বাইরে নারী পুরুষ সমান বা নারীর অধিকার পুরুষের সমান এইরকম ইসলাম বিরোধী নীতি আমি বর্জন করছি।
Thursday, June 10, 2021
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ১৪
নারীর অধিকার হল, সিগারেট না খেয়ে সুস্থভাবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা। আর নারীর ক্ষমতায়ন হল, সে এটা জোর গলায় প্রচার করবে যে নারী পুরুষ নির্বিশেষে ধূমপান স্বাস্থ্য এর জন্য ক্ষতিকর তাই ধূমপান সবার বর্জন করা উচিৎ। পুরুষ ধূমপান করবে বলে নারীকেও ধূমপান করতে হবে এই জাতীয় কথা জোর গলায় বলা নারীবাদী নারীদেরকে অর্ধশিক্ষিত বা শিক্ষিত মূর্খ বলা যেতে পারে।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-১৩
উচ্চ শিক্ষিত মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার অহঙ্কারবোধ কমিয়ে সেটা সমাজ তথা দেশ এর সুশিক্ষার কাজে লাগালে সমাজ ও দেশ এর মঙ্গল হবে। আর এই সব উচ্চ শিক্ষিত মেয়েদের বিশ্ব বিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সাথে কি করে সৌজন্যতা বজিয়ে রেখে চলতে হয় সেটা জানাটা জরুরি। আপনারা উচ্চ শিক্ষিত আজ এর কারণ আপনারা আমাদের বয়সে বড়, আগে জন্মেছেন। উপযুক্ত সময় এলে উচ্চ শিক্ষিত মেয়েদের কোয়ালিফিকেশন টপকানোর অ্যাবিলিটি আমাদেরও আছে। সুতরাং, উচ্চ শিক্ষার অহঙ্কার বন্ধ করে সেটার যথাযথ প্রয়োগ আশা করছি মেয়েদের থেকে। উচ্চ শিক্ষিত কোন পুরুষকে আজ পর্যন্ত দেখলাম না শিক্ষার বড়াই করে চলেছে। মেয়েদের হিংসা, ঈর্ষা, অহঙ্কারবোধ এর লাগাম টেনে না রাখলে এদের ধ্বংস এর কারণ এরা নিজেরাই হবে। বিরক্তিকর।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-১২
৬।বেগম রোকেয়া এমন একজন মহিলা যিনি ২ নম্বর পয়েন্টে উল্লেখিত ইসলাম বহির্ভূত কাজ এর বিরোধীতা করতে গিয়ে একটা ইসলাম বিরোধী বানী "আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ঐ ধর্মগ্রন্থগুলিকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন।"বলে সরাসরি ইসলাম এর পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ কোরআনকে পুরুষ দ্বারা নির্মিত আদেশ যা তারা মহান আল্লাহপাক এর নামে চালিয়ে দিচ্ছে বলে দাবী করেছেন, নাউজুবিল্লাহ মিন জালেক, যেটা সরাসরি যে কোন ধর্মপ্রাণ মুসলিম এর বিরোধিতা করবে। এই মহিলা বাস্তবিক নারীবাদী ছিলেন যেটা তিনি তার সম সাময়িক "নারী শিক্ষার" নামে ইসলাম বিরোধী প্ররোচনা চালিয়ে তার কাজ অনেকাংশে হাসিল করেছেন। সুতরাং, নারী শিক্ষার জন্য বেগম রোকেয়া যা করেছেন সেটার মান পুরোপুরি শূন্য কেননা তিনি কোরআনকে পুরুষদের বানানো ধর্ম গ্রন্থ বলে দাবী করেছেন। শুধুমাত্র, আবার বলছি শুধুমাত্র এই কারনেই তাকে ইসলাম বিরোধী হিসাবে আমি ঘৃণা করতে পারি। উনি নারী শিক্ষার জন্য কাজ না করলে আজ মেয়েরা লেখাপড়া করতে পারতো না এই জাতীয় গণ্ডমূর্খ টাইপের কথা বর্তমানে সব নারীবাদী মেয়ে ,সুপ্ত নারীবাদী এমনকি হিজাব এর মতো পবিত্র ইসলামিক লেবাস পড়ুয়া মেয়েদের মুখে শোনা যায়। এদের সাথে হাজির হয়েছে নারীবাদী পুরুষ, যারা কিনা একই পালের গরু।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-১১
কিছু ব্যাপার পরিস্কার হওয়া প্রয়োজন। তথাকথিত নারীবাদ সমাজের জন্য ক্যান্সার। উগ্র নারীবাদীদের নারীদের উন্নয়ন হেতু কাজ এর পিছনে সময় না দিয়ে উল্টো পুরুষ বিরোধী শ্লোগান এবং অশালীন কর্মকাণ্ডকে প্রমোট করায় সমাজে যে অশান্তি তৈরি করেছে সেটারই বিরোধীতা করতে নারীবাদ এর বিরুদ্ধে সচেতন মানুষের অবস্থান। এইটাকে আবার নারীবাদীরা "নারীর বিরুদ্ধে অবস্থান" বলে রটিয়ে বেড়াচ্ছে। যেটা তাদের দ্বিমুখী অবস্থান আরও ভালভাবে পরিস্কার করে, অর্থাৎ নারীর অধিকার এর নামে নারীকে দিয়ে অশ্লীল কাজ করানোর জন্য তাদের এই ইসলাম এবং সুস্থ সমাজ বিরোধী কাজ তারা অবাধে করতে চায় এবং তাদের এই কাজের কোন পুরুষ ( এমনকি মহিলা) বাঁধা দিলে তারা একতরফা পুরুষকে দোষারোপ সেই মানুষটাকেই নারী বিরোধী ট্যাগ দিয়ে বেড়ায়। সুতরাং অবশ্যই এই তথাকথিত নারীবাদীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া আমাদের কর্তব্য। তাদের ভণ্ডামিটা প্রকাশ হচ্ছে আস্তে আস্তে সব যায়গায়। একটা সুস্থ চিন্তা ধারনার মানুষ নারী পুরুষ মিলেই একটা সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব এইটা বিশ্বাস করবে। অবশ্যই ধর্মীয় অনুশাসন এবং সমাজ এর নিয়ম মেনে। তবে নারীবাদ এর বিরোধিতা করতে গিয়ে কয়েকজনকে দেখলাম ভুলভাল বিষয় উপস্থাপন করে চলেছে। যেমন, পার্কে নারী পুরুষ এর অবাধ মেলামেশার ছবি দিয়ে ক্যাপশন দিচ্ছে "ধর্ষণ হচ্ছে"। ওয়েট এ মিনিট পাঠকগণ, ধর্ষণ হচ্ছে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপন করাকে বুঝায়, পার্কে নারী পুরুষ এর মধ্যে অবাধ মেলামেলা "ধর্ষণ" নয়। কারন এখানে ছেলে মেয়ে স্বেচ্ছায় তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়েছে। এই পার্কের অবাধ মেলামেশাটাকে আমরা বলতে পারি সমাজ এবং ধর্ম বহির্ভূত কাজ। যেটা একজন ধর্ষককে প্রভাভিত করে এবং পরবর্তীতে সে ধর্ষণ করার দিকে ধাবিত হয়। সুতরাং পার্ক এর এই অবাধ মেলামেশা হচ্ছে ধর্ষণ এর একটা কারন, কিন্তু এই ঘটনা ধর্ষণ নয়। ৯০ শতাংশ ধর্মপ্রাণ মুসলমান এর দেশ আমাদের। এই দেশে এমন অবাধ মেলামেশা কোনোভাবেই কাম্য নয়। যারা এই কাজ করে বা সমর্থন করে তাদেরকে আইন এর আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা প্রয়োজন। ধর্ষণ এর মত হারাম কাজ রুখতে এই ধরনের হারাম খোলামেলা মেলামেশা আইন করে বন্ধ করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। কিন্তু আপনি নারীবাদ এর বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি এই ঘটনাকে ধর্ষণ বলে চালিয়ে দেন তবে আপনি নারীবাদীদের আরও সুবিধা করে দেবেন আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করার। কারন ধর্ষণ করা এক জিনিস আর ধর্ষণ এর কারন আরেক জিনিস। নারীবাদ বিরোধিতার সময় আমাদের করনীয় বিষয় হল লজিক ঠিক রেখে মূর্খ নারীবাদীদের জবাব দেয়া। আপনার লজিক বিহীন লেখার জন্য যাতে নারীবাদী বিরোধীরা নারীবাদ বিরোধী কার্যক্রম নিয়ে হাসাহাসি করার সুযোগ না পায় সেটা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। আর কোন ছেলের কোন মেয়েকে ভাল লাগতেই পারে, সেটা দোষের কিছু না। আপনার যদি কোন মেয়েকে পাবার আকাঙ্ক্ষা থাকে তবে প্রথমে দেখুন মেয়ে আপনার প্রতি ইন্টাররেস্টেড কিনা, ইন্টাররেস্টেড হলে তাকে ধর্মীয় এবং সমাজ স্বীকৃত নীতি মেনে বিয়ে করুন। তারপর তার সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক উপভোগ করুন। নারীবাদ বিরোধিতার নাম করে অনেকে দেখছি মেয়েদের জোর করার সার্টিফিকেট দিচ্ছে। পবিত্র ইসলাম বহির্ভূত কাজ এটা। ইসলাম একজন মুসলিম নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে তার সাথে সম্পর্ক করার অনুমতি কোন পুরুষকে দেয়নি, এইটা একটা ভয়াবহ অপরাধ। নারীবাদ বিরোধিতা মানে হছে নারী অধিকার এর নামে নারীর অধিকার উল্টো খর্ব করার যে অপচেষ্টা সেটার বিরুদ্ধে অবস্থান করা, নারীকে জোর করা বা ইসলাম প্রদত্ত নারীর অধিকার এর বিরুদ্ধে অবস্থান করা না। সম্মানিত পাঠক, আমি আশা করবো, আমার এই পোস্টের মাধমে মাধ্যমে আপনি আপনার ধর্ম এবং সমাজ বিরোধী নারীবাদ এর বিপক্ষে অবস্থান শক্ত করবেন এবং পবিত্র ইসলাম অনুযায়ী নারীর অধিকার যাতে সুরক্ষিত থাকে এই ব্যাপারে সর্বদা সচেতন থাকবেন।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-১০
বাংলাদেশে কত কয়েকদিনে যে পরিমান ধর্ষণ হচ্ছে সেটা আশঙ্কাজনক মাত্রা। "সবগুলো" ধর্ষকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে বাংলাদেশ সরকার এটা বাংলাদেশ এর একজন সাধারন নাগরিক হিসাবে আশা করি। এই ধর্ষকরা সমাজের কীট। এদের অবশ্যই সমাজ থেকে উৎখাত করা প্রয়োজন যে কোন উপায়। কিন্তু ধর্ষকদের শাস্তি চাইতে গিয়ে দেখলাম নারীবাদী আপুরা "পুরুষবিহীন" পৃথিবী চাইছে, "সকল পুরুষ ধর্ষক" জাতীয় শ্লোগান দিয়ে বেড়াচ্ছে, ওয়াট ননসেন্স? এটা কি তাদের ষ্টুপিড স্মার্টনেস এর আরেকটা ধরন?? পুরুষকে ছেঁটে ফেলতে চায় তারা, তবে এই কাট অফটা তাদের পরিবার থেকেই শুরু করুক তারা? তাদের বাবা ভাইকে ছেঁটে ফেলে দিক পরিবার থেকে? আছে সেটা করার ক্ষমতা? নাকি নিজের বেলায় কাজী, অন্য এর বেলায় পাজি? কোনটা? ধর্ষক এর বিকৃত মনমানসিকতার পাশাপাশি এইসব ডবোল স্ট্যান্ডার্ড ভাওতাবাজি করা নারীবাদীরা মেয়েরা ধর্ষণ বাড়বার অন্যতম কারন। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হবে, অবশ্যই হবে, ধর্ষক এর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে তবে সেটা হবে মেয়েদের বাবা, ভাই, বয়ফ্রেন্ড বা স্বামী সবাইকে নিয়ে। মেয়েদের ইজ্জত হরণকারী হিসাবে যেমন ধর্ষক পরিচিত তেমনি মেয়েদের ইজ্জত রক্ষাকারী হিসাবে মেয়ের পুরুষ সঙ্গী পরিচিত। অপদার্থ এর মতো "পুরুষ বিহীন পৃথিবী চাই" বলা নারীবাদীদের সুস্থ সমাজ নির্মাণে অপসারণ করা অতীব জরুরি বলে মনে করছি আমি। ধর্ষক এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হোক, পুরুষদের সাথেই নিয়েই। একটা সুস্থ সমাজে নারী পুরুষ উভয়ের দরকার। ধর্ষকদের রুখতে আমি আমার আমার বাবা বা ভাই বা বয় ফ্রেন্ড বা স্বামীকে সাথে নিয়েই প্রতিবাদ করতে চাই।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-৯
বেগম রোকেয়াকে ঠিক কোন সেন্সে মুসলিম মনে করে অনেকে বোঝা দুষ্কর। তার বানী, “আমাদিগকে অন্ধকারে রাখিবার জন্য পুরুষগণ ঐ ধর্মগুলোকে ঈশ্বরের আদেশপত্র বলিয়া প্রচার করিয়াছেন।” এটাই প্রমাণ করে যে সে ঘোর নাস্তিক এবং নারীবাদী ছিলেন। এই রোকেয়ার জীবনী নিয়ে ছোটবেলায় অনেক কিছু পড়েছি পাঠ্যবইতে, ৯০ শতাংশ মুসলিম এর দেশে এই নাস্তিক এবং ইসলাম বিরোধী নারীবাদীর কথা কি করে পড়ানো হয় সেটা ভাবতেই অবাক লাগে। বেগম রোকেয়া নিঃসন্দেহে নারীবাদীদের আদি মাতা এবং সেই এদেশে নারীবাদ সর্বপ্রথম প্রমোট করেছিলেন। ধর্মে বিশ্বাসী আমরা যারা আছি তাদেরকে অবশ্যই এই নাস্তিক এবং নারীবাদী মহিলাকে পুরোপুরি বর্জন করা উচিৎ।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-৮
আমার লেখা পোস্টে "মেয়েদের মধ্যে জন্মগতভাবে হিংসা বেশী থাকে, এটাই তাদেরকে ডুবায়।" উল্লেখ করায় ডিপার্টমেন্ট এর এক সিনিয়র নারীবাদী আপু সরাসরি ফোন দিয়ে আচ্ছা করে শাসানী দিল আমাকে। আমার এক লাইনেই আমাকে নারী বিদ্বেষী বানিয়ে দেয়া হল! নারীবাদ এমন একটা পর্যায় চলে গেছে যে নারীবাদীরা সরাসরি কারো সমালোচনা করলে সেটা তাদের অধিকার যে সমালোচনা যতই লজিকলেস হোক সমস্যা নেই কিন্তু অন্য কেউ কোন সত্য ফ্যাক্ট তুলে ধরলে তাদের গায়ে জ্বালা পোড়া শুরু হয়ে যায়। বুজলাম না। কথা তো মিথ্যা বলি নাই, মেয়েদের মধ্যে হিংসা বিদ্বেষ ঈর্ষা বেশী সেটা আজও প্রমাণ পেলাম সিনিয়র আপুর এই হেন আচরণ দেখে। নারী বিষয়ক সত্য কথা বললে যদি আমাকে নারী বিদ্বেষী ট্যাগ দেয়া হয় তবে আই এম এ প্রাউড নারী বিদ্বেষী এবং অবশ্যই নারীবাদী বিরোধী।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-৭
মেয়েরা একটু শিক্ষিত হলেই বিশাল কিছু করে ফেলেছে বলে নিজেদের মনে করে। পুরুষদের মধ্যে উচ্চ শিক্ষিত যারা তাদের মধ্যে এইটা কম। মেয়েদের মধ্যে জন্মগতভাবে হিংসা বেশী থাকে, এটাই তাদেরকে ডুবায়। আমি নিজেই বিরক্ত মেয়েদের উপর, আমার মনে হয় অন্যান্য মেয়েরাও এটা স্বীকার করবে। নিজের পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ থেকে ছোটবেলা থেকে মেয়েদের এই বদভ্যাস গুলো দেখে এসেছি। এগুলো নিজের থেকে ইম্প্রুভ না করলে মা বাবার পক্ষে আলাদা করে শিখিয়ে দেয়া সম্ভব না। আমার এই উপলদ্ধিটাকে মানুষ স্বজাতি বিরোধীতা বলে আখ্যায়িত করতে পারে তবে আমার এরকমই মনে হয় যেটা উল্লেখ করেছি উপরে।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট-৬
নারীবাদীদের সাফল্য হচ্ছে আপনি নারী হয়ে নারীবাদী বিরোধী হলে আপনাকে ১০ জন প্রশ্ন করবে এই বলে যে "সেকি, আপু, আপনি নারী হয়েও নারীবাদী বিরোধী?" মানে কি ভাই? আপনি মুসলমান এর সন্তান হয়ে থাকলে তো আপনার জানবার কথা যে নারীবাদ ইসলাম বিরোধী একটা কুফরি মতবাদ। এই নারীবাদ এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া প্রতিটা মুসলিম নারী এবং পুরুষ এর ইমানী দায়িত্ব। কিন্তু নারীবাদীরা এমন একটা পর্যায় নারীবাদকে নিয়ে গিয়েছে যে নারী মানেই সে নারীবাদী হবে এমনটাই ধরে নেয় বেশিরভাগ মানুষ। এই ননসেন্সটার শেষ হওয়া প্রয়োজন। নারীবাদ বিরোধী ধর্মপ্রাণ মুসলিম পুরুষদের সবার প্রথমে বুঝতে হবে যে একটা ধর্মে বিশ্বাসী মুসলিম নারী "স্বাভাবিকভাবে" নারীবাদ বিরোধীই হবে, নারীবাদী হবে না। আপনার মাথায় নারী মানেই নারীবাদী হতে হবে জাতীয় চিন্তা গেঁথে যাওয়াটাই নারীবাদীদের জন্য একটা বিশাল মাইলফলক।
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
বোরখা পরিহিতা মায়ের ছেলের সাথে ক্রিকেট খেলায় নারীবাদীদের এতো সমস্যা কেন ঠিক বোধগম্য না। এটা এক ধরনের মানসিক ব্যাধি তাদের। তারা চায় মেয়েদের...
-
বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছাড়া সচারচর দৈনন্দিন জীবনে শাড়ি পরে না বাংলাদেশ এর "বেশিরভাগ" নারী। এরপরেও "শাড়িতেই নারী" মানুষ ...