Wednesday, April 12, 2023

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৬

 নারী শুধু মা হয় না, নারী ঘষেটি বেগমও হয়।

😑 সুতরাং নারী মাত্রই তাকে পুজো করার প্রবনতা যেটা নারীবাদীরা প্রমোট করে থাকে সেটা বন্ধ হোক। আজ পর্যন্ত যতগুলো ঝামেলা দেখেছি মিডিয়াতে বা দৈনন্দিন জীবনে তার সিংহভাগ নারীর জন্য হয়েছে। বাস্তবিক নারীর ন্যায় জটিল মন কারো নেই।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৫

 পোশাক ইচ্ছামতন পরার অধিকার বাংলাদেশ এর সংস্কৃতি বা ধর্মীয় দিক বিবেচনা করলে মানানসই হয় না বিধায় আমাদের দেশে যেমন খুশি তেমন পোশাক পরা সম্পূর্ণ বেমানান। বিশেষত মেয়েদের পোশাক এর ব্যাপারে উশ্রিঙ্খলতা নারীবাদীর প্রকোপে বেশ চোখে পরছে। এদেশের সংস্ক্রিতির সাথে মেয়েদের জিন্স টপ পরাটা কোনোভাবেই যায় না যদি ধর্মীয় দিক ছাড়া বিবেচনা করি। এটা কস্মিনকালেও বাংলাদেশ এর কালচার এর অন্তর্গত ছিল না। সেই জিন্স টপ থেকে শুরু করে এখন ওড়না ছাড়া জত্র তত্র মেয়েদের ঘুরে বেঢ়াতে দেখা যায়। আজকাল দেখতে পাচ্ছি মেয়েরা মসজিদ এর মত পবিত্র মুসলিম প্রেয়ার হাউস এর সামনেও ওড়না ছাড়া বা ওড়না বুকে না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে চুল না ঢেকে দিব্বি হেতে যাচ্ছে। এদের এই অসভ্যতার মসজিদে আগত কেউ যদি বিরোধিতা করে তবে এতে নাকি মেয়েদের মানহানি হয় এবং ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকে "তাদের স্বাধীনভাবে চলতে দেয়ায় বাধা দিচ্ছে বলে" এটা নাকি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হবে।

রাখেন ভাই, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকে মূলনীতি যেমন আপনাকে স্বাধীনভাবে চলার সুযোগ দিয়েছে তেমনি আপনি ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকে থেকে একটা বিশাল জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় মূল্য বোধে আঘাত লাগতে পারে এমন কোন কাজ আপনি করতে পারেন না সেটাও বলা হয়েছে। যদি সেটা আপনি করে থাকেন তবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকেই বরং সেটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। মসজিদের সামনে মেয়েরা ওড়না ছাড়া চুল খোলা রেখে চলাফেরা করতে পারে না কোনোভাবেই।
মসজিদ ফ্যাশন শো এর যায়গায় নয়, মসজিদ পবিত্র জায়গা, এখানে যেতে গেলে বা মসজিদ এর পাঁশ দিয়ে যেতে গেলে রুচিশীল হয়ে শালীন পোশাক পরেই যেতে হবে আর এটাই ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকে "অন্যের মূল্যবোধে আঘাত না করে নিজের মত চলার" আওতায় ফেলা হয়। একে ওড়না ছাড়া চলাফেরা করা বাংলাদেশ এর সংস্কৃতি না, তারুপর ধর্মীয়ভাবেও স্বীকৃত না, সেখানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকের দোহাই দিয়ে ভুলভাল বুঝানোর ইদানিং একটা খেলা ভালই খেলছে নারীবাদী মেয়েরা। কিন্তু এই দড়িলাফ স্থগিত করবার সময় এসে গিয়েছে।
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক এর দোহাই দিয়ে আপনারা কন অবস্থাতেই একটা বিশাল জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় মূল্য বোধে আঘাত লাগতে পারে এমন কিছু করতে পারেন না। করলে অপরাধ আপনারাই করছেন এবং শাস্তি এর জন্য আপনাদেরই প্রাপ্ত। মসজিদ কেন, আর মুসলিম কেন? আমি মনে করি বাংলাদেশের বাকি সব ধর্মের রুচিশীল মানুষও আমার সাথে একমত হবে এই বিষয় যে তাদের স্ব স্ব ধর্মীয় প্রেয়ার হাউস এর সামনে কেউ অশালীন এবং কুরুচিকর পোষাকে তারা দেখতে আগ্রহী নয়। তাই সব ধর্মীয় প্রেয়ার হাউস এর সামনে মেয়েদের এইরুপ ওড়না ছাড়া চুল খোলা রেখে অশ্লীলভাবে চলাফেরা বন্ধে প্রয়োজনে নিয়ম বানানো উচিৎ বলে আমি মনে করি

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৪

 নারীদের জানাজায় অংশ নেয়ার সপক্ষে ইসলামিক নারীবাদী মেয়েদের গলা বেশ চড়া দেখতে পাচ্ছি। এরা নিজেদেরকে মুসলিম বলে কোন হিসাবে? মুসলিম হতে ইসলাম এর নিয়ম এর উপর এট লিস্ট সম্মান প্রদর্শন করতে হবে, এরা তো ইসলাম এর নিয়মেরই তোয়াক্কা করে না। হজরত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনদের থেকে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ইসলামে নারীদের জানাজায় অংশ নেয়া নিয়ে বেশ কিছু ভ্যালিড রেফারেন্স আলোচনা করছি নিচে,

তাবেয়ি যার ইবনে আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) জানাজার সঙ্গে ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন একজন বৃদ্ধ মহিলাও জানাজার সঙ্গে সঙ্গে আসছে। এটা দেখে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ক্রোধান্বিত হলেন এবং তার মুখমণ্ডলে ক্রোধের ছাপ ফুটে উঠল। তখন তার নির্দেশে ওই বৃদ্ধাকে ফিরিয়ে দেওয়া হলো। এরপর খাটিয়া রাখা হলো- কিন্তু তিনি জানাজা শুরু করলেন না। যখন লোকেরা বলল, ওই সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে হকসহ প্রেরণ করেছেন, ওই মহিলা শহরের বাড়িঘরের আড়াল হয়ে গেছে, তখন তিনি জানাজার তাকবির বললেন। -মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৬২৯০
হজরত উম্মে আতিয়্যা (রা.)-এর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলেন- হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে জানাজায় বের হতে নিষেধ করেছেন। -আল মুজামুল কাবির তবারানি: ২৫/৪৫
আমর ইবনে কায়স (রহ.) বলেন, আমরা এক জানাজায় উপস্থিত ছিলাম। আবু উমামাও সেখানে ছিলেন। তিনি দেখলেন জানাজায় কিছু মহিলাও এসেছে। তখন তিনি তাদের সরিয়ে দিলেন। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১১৪০৮
মুহাম্মদ ইবনুল মুনতাশির (রহ.) বলেন, মাসরূক (রহ.) ওই জানাজা পড়তেন না, যে জানাজায় কোনো নারী উপস্থিত আছে। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১১৪০৩
বিখ্যাত ইসলামি স্কলার শাবি (রহ.)-কে জিজ্ঞাসা করা হলো- নারীরা কি জানাজার নামাজ পড়বে? উত্তরে তিনি বললেন, না, নারী জানাজার নামাজ পড়বে না, চাই সে পবিত্র হোক কিংবা ঋতুমতি। -মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক: ৬২৯৭
হজরত নবী করিম (সা.)-এর উপরোল্লেখিত হাদিস এবং সাহাবা-তাবেয়িনের আমল ও কাজকর্মসমূহ থেকে একথা স্পষ্ট হয় যে, নারীদের জন্য জানাজার উদ্দেশ্যে বের হওয়া জায়েজ নয়।
নারীরা ঘরে থেকেই মৃতের জন্য ঈসালে সওয়াব ও মাগফিরাতের দোয়া করবেন। এটাই ইসলামের নির্দেশ। এর বাইরে গিয়ে হাত মোজা পা মোজা সহ বোরখা পরে বা হিজাব পরে কোন মেয়ে যদি জানাজায় অংশ নিতে চায় বা ইচ্ছা পোষণ করে তবে তা সরাসরি ইসলাম বিরোধী এবং তারা যে তাদের পর্দার আড়ালে ইসলাম বিরোধী নারীবাদ প্রমোট করে চএলছে সেই বিষয় সন্দেহ থাকে না। ফেসবুকে এই ধরণের ইসলামিক নারীবাদী মেয়েদের প্রকোপ বাড়ছে দেখতে পাচ্ছি, ধর্মপ্রান মুসলিম মুমিন/মুমিনারা এর থেকে ইসলাম এর স্বার্থে নিজেদের দূরে রাখা এবং এই ইসলাম বিরোধীদের রুখে দেবার সময় এসেছে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪৩

 মাথায় গোবর না থাকলে একটা মানুষ কখনও এই দেশে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের মসজিদে নামাজ পড়ার কথা উঠিয়ে ইসলামিক নারীবাদীদের সিম্পাথি নেবার চেষ্টা করে। এইদেশে শারিয়া চলে না,চলে ডেমোক্রেসি, ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকে মুসলিম মেয়েদের শারিয়া আইন বলবৎ থাকাকালীন যে সুবিধা দেয়া হয় সেটা ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকে দেয়া সম্ভব না কারন ডেমোক্রেসি মতধারাটাই শারিয়ার সাথে সংঘর্ষিক। এই বিষয় কিছু ইসলামিক রেফারেন্স আলোচনা করা যাক,

১। হজরত আবদুল্লাহ (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ক্ষুদ্র কক্ষে নারীদের নামাজ বড় কামরার নামাজের তুলনায় উত্তম। ঘরের নির্জন কোণে নামাজ ক্ষুদ্র কক্ষের নামাজের তুলনায় উত্তম।’ [আবু দাউদ, হাদিস : ৫৭০ (হাদিসটি সহিহ)]
অন্য বর্ণনায় হজরত উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘নারীদের ঘরে নামাজ পড়া ঘরের বাইরে নামাজ পড়ার চেয়ে উত্তম।’ (আল মু’জামুল আওসাত, হাদিস : ৯১০১)
২। উম্মে সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘নারীদের নামাজের উত্তম জায়গা হলো তাদের ঘরের নির্জন কোণ। [মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৬৫৪২ (হাদিসটি হাসান)]
৩। আবু হুমাইদ আল সাঈদি থেকে বর্ণিত, একবার উম্মে হুমাইদ নামক একজন মহিলা সাহাবি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার সঙ্গে নামাজ আদায় করতে আগ্রহী।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আমি জানি তুমি আমার সঙ্গে নামাজ আদায় করতে পছন্দ করো। কিন্তু তোমার জন্য বড় কামরার তুলনায় গৃহের অন্দরমহলে নামাজ পড়া উত্তম। আবার বড় কামরায় নামাজ পড়া উত্তম বারান্দায় নামাজ পড়ার চেয়ে। বারান্দায় নামাজ আদায় করা উত্তম তোমার মহল্লার মসজিদের চেয়ে। মহল্লার মসজিদ উত্তম আমার মসজিদ (মসজিদে নববী) থেকে।’ এ কথা শোনার পর উম্মে হুমাইদ (রা.) তাঁর গৃহের নির্জন স্থানে একটি নামাজের স্থান বানাতে নির্দেশ দিলেন। সেখানেই আজীবন নামাজ আদায় করতে লাগলেন। এ অবস্থায় তিনি ইন্তিকাল করেন। [মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৭০৯০; সহিহ ইবনে খুজাইমা, হাদিস : ১৬৮৯ {হাফেজ ইবনে হাজার (রহ.)-এর মতে, হাদিসটি হাসান। ফাতহুল বারি : ২/২৯০}]
৪। আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘জামাতে জুমার নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের ওপর অকাট্য ওয়াজিব, তবে ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব নয়।’ [আবু দাউদ, হাদিস : ১০৬৭ (হাদিসটি ইমাম বুখারি ও মুসলিম (রহ.)-এর শর্ত অনুযায়ী সহিহ)। আল মুস্তাদরাক : ১/২৮৮]
উল্লিখিত হাদিসগুলো থেকে এ বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে যায়—এক. পুরুষদের দায়িত্ব পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়া, আর মহিলাদের দায়িত্ব হলো ঘরে নামাজ পড়া। দুই. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে মহিলাদের জন্য জামাতে শরিক হওয়া ওয়াজিব, সুন্নাত বা অত্যাবশ্যকীয় ছিল না; বরং শুধু অনুমতি ছিল। তবে সেটিও এমন, অপছন্দের সঙ্গে ও শর্তসাপেক্ষ ছিল। তিন. হজরত উম্মে হুমাইদ (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কথার ওপর আমল করার জন্যই মসজিদ ছেড়ে সারা জীবন বাড়ির নির্জন কক্ষে নামাজ আদায় করেছেন। সে যুগের নারীরা সাধারণত এটাই করতেন। চার. সে যুগের পরিবেশ ভালো ছিল, এ জন্যই কেবল মহিলাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। নচেৎ রাসুল (সা.)-ই কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেন।
কঠোর শর্ত সাপেক্ষে নারীদের মসজিদে আসার অনুমতি দেয়া হয়েছিল বটে,
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে মহিলাদের যে মসজিদে আসার অনুমতি ছিল, তা-ও অনেক শর্তসাপেক্ষ ছিল। যথা—(ক) সম্পূর্ণ আবৃত ও পূর্ণ শরীর ঢেকে বের হবে। (খ) সেজেগুজে খুশবু লাগিয়ে বের না হওয়া। (গ) বাজনাদার অলংকার, চুড়ি ইত্যাদি পরে আসতে পারবে না। (ঘ) অঙ্গভঙ্গি করে চলতে পারবে না। (ঙ) পুরুষদের ভিড় এড়িয়ে পাশ কাটিয়ে চলবে। (চ) অপ্রয়োজনে কোনো বেগানা পুরুষের সঙ্গে কথা বলবে না। সর্বোপরি তাদের এই বের হওয়া ফিতনার কারণ হবে না। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৫৬৫, আহকামুল কোরআন, থানভি : ৩/৪৭১, বাজলুল মাজহুদ : ৪/১৬১)
কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিদায়ের কিছুদিন পর থেকেই যখন এই শর্তগুলো ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হতে শুরু করে, তখন রাসুল (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় সাহাবিরা তা উপলব্ধি করতে পেরে নারীদের মসজিদে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
নারীদের মসজিদে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞায় সাহাবিদের যেসব উক্তি বর্ণিত হয়েছে, এর আংশিক নিম্নে উল্লেখ করা হলো—
এক. হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নারীরা যে অবস্থা সৃষ্টি করেছে, তা যদি রাসুল (সা.) জানতেন, তবে বনি ইসরাইলের নারীদের যেমন নিষেধ করা হয়েছিল, তেমনি তাদেরও মসজিদে আসা নিষেধ করে দিতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৬৯)
এখন আমরা চিন্তা করে দেখতে পারি যে আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি (রহ.) নিজ যুগ তথা হিজরি নবম শতাব্দীর নারীদের সম্পর্কে এ কথা বলেছেন। তাহলে আজ হিজরি পঞ্চদশ শতাব্দীতে সারা বিশ্ব যে অশ্লীলতা আর উলঙ্গপনার দিকে ছুটে চলেছে, বেপর্দা আর বেহায়াপনার আজ যে ছড়াছড়ি, মেয়েরা যখন পুরুষের পোশাক পরছে, পেট-পিঠ খুলে রাস্তাঘাটে বেড়াচ্ছে, ঠিক সে মুহূর্তে অবলা মা-বোনদের সওয়াবের স্বপ্ন দেখিয়ে মসজিদে আর ঈদগাহে টেনে আনার অপচেষ্টা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়। অথচ এর জন্য দলিল দেওয়া হচ্ছে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের নারীদের দ্বারা। এ যুগের নারীরা কি সে যুগের নারীদের মতো? কস্মিনকালেও নয়। তা সত্ত্বেও সে যুগেই নারীদের মসজিদে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তাহলে কিভাবে এ যুগের নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামাজের জন্য উৎসাহ দেওয়া যায়?
ইসলামিক বোরখা এবং হিজাব পড়া নারীবাদীদের মত ইদানীং ইসলামিক পুরুষ নারীবাদী পাওয়া যাচ্ছে, এই ভণ্ড গ্রুপ অইসলামিক নারীবাদী অপছন্দ থাকার দরুন ইসলামিক নারীবাদীদের মন পাবার জন্য নমেয়েদের মসজিদে পাঠাবার দাবী করে থাকে। পড়াশুনা না করে নিজ এর মত ইসলাম বানিয়ে ইসলামিক নারীবাদ প্রমোট করবার দরুন এরাও উগ্র নারীবাদীদের সমতুল্য ভাইরাসে পরিনত হচ্ছে। এদের থেকে সাধু সাবধান।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪২

 আন্তর্জাতিক নারী দিবস সত্যিকার অর্থে নারীর প্রতি ঘটা আনাচার এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করে। এবং সেটা শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন নারী এবং পুরুষ একসাথেই সোচ্চার থাকে। নারীর প্রতি ঘটা অনাচার রুখতে পুরুষ এর অবদান এর প্রয়োজন আছে এবং এই প্রয়োজনটা আছে বলেই নারীর জীবনে পুরুষের ভুমিকা অত্যাবশ্যক। কিন্তু নারী দিবস একটা ভিন্ন মতবাদ এর দিবস নয়। নারী দিবস নারীবাদকে প্রমোট করতে পারে না। নারী দিবসকে নারীবাদীরা নারীবাদী দিবস বানিয়ে নিজেদের একতরফা অধিকার আদায় এবং পুরুষের সাথে অসুস্থ প্রতিযোগিতা করার মনোবাঞ্ছা নিয়ে আজকালকার মেয়েরা যেভাবে নারী দিবস পালন করছে এতে নারীর অধিকার সুরক্ষিত হবার বদলে উল্টো নারীবিদ্বেষ তৈরি হচ্ছে। একটা কথা মনে রাখা প্রয়োজন, নারীকে পুরুষ স্বভাবগতভাবেই ভালবাসে। আকৃষ্ট হয়। অল্প কিছু অপদার্থ পুরুষ ছাড়া সমাজের অধিকাংশ পুরুষই তার ভালবাসার নারীকে সুরক্ষা দিতে, নারীর অধিকার প্রাপ্তি যাতে সুনিশ্চিত নয় সেই বিষয় সচেতন থাকে।সেই পুরুষকে বাদ দিয়ে মেয়েরা পুরুষকে সহযোগী না বানিয়ে উল্টো প্রতিযোগী বানিয়ে নারী দিবসে যে ট্রেন্ড শুরু করেছে মূলত এই ট্রেন্ড এর জন্যই সমাজে অশান্তি এবং নারীবিদ্বেষ এর উদ্ভব হয়। তাই নারী দিবসে আমি নারীবাদ নামক ভয়ালো সমাজ এবং ধর্ম বিরোধী মতবাদ এর বিরুদ্ধে গিয়ে নারীর অধিকার সুনিশ্চিত করতে পুরুষ জাতিকে সাথেই নিয়েই নারীর অধিকার সুনিশ্চিত করতে চাই। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা সকল শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন নারীকে এবং নারীর সহযোগী পুরুষ জাতিকে আমার পক্ষ থেকে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪১

 বেসামাল লোভ এবং অনিয়ন্ত্রিত অবাস্তব উচ্চাশা পরিত্যাগ করতে না পারলে মেয়েরা নারীবাদীতে পরিনত হবে। নারীর নারীত্বকে নষ্ট করতে নারীবাদ এর জুড়ি নেই। যেমনটা উচ্চ শিক্ষিতা বেশিরবভাগ মেয়ে জ্ঞানীর ন্যায় আচরণ করার বদলে অহমিকা প্রদর্শনে বিজি থাকে তাদের মধ্যে "পুরুষের থেকে সেরা হয়েছি" এই চিন্তা মাথায় গেথে যাবার ফলে একইভাবে নারীবাদ নারীকে শিক্ষিত হতে হবে ঠিকই শিখায় কিন্তু শিক্ষার সুব্যাবহার করে নিজেকে ভদ্র এবং নমনীয় হবার পরিবর্তে শিক্ষার অপব্যাবহার করে নারীকে পুরুষের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে উৎসাহী করে যেটা সমাজে একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করে। স্বজাতির উপর আমার ক্ষোভ কারন মেয়েরা উপযুক্ত শিক্ষিতা হবার পরেও এরা প্রকিত জ্ঞানলাভ থেকে বিরত থেকে দাম্ভিকতা প্রদর্শনে নিজেদের নিয়োজিত করে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৪০

 কামাই থাকলে জামাই লাগেনা ট্রেন্ড চলছে নারীবাদী সমাজে, অর্থাৎ একটা মেয়ে যদি ইনকাম শুরু করে তবে তার জামাই এর দরকার হয়না বলে মনে করেন নারীবাদী মেয়েরা। ভেঙ্গে যদি বলি তবে এর মানে দাঁড়ায় মেয়ের ইনকাম থাকলে সেই টাকার জোরে তার তার বিয়ে করার প্রয়োজন হয়না বা কোন বিবাহিত মেয়ে বিয়ের পর ইনকাম করলে তার আর জামাই এর উপর নির্ভরশীল হওয়ার দরকার হয় না। নিজেই নিজেকে চালাতে পারে। মোরাল গিয়ে দাঁড়ালো ইনকাম করলে নিজেই নিজের চালিকা শক্তি হবার দরুন বৈধ পুরুষ সঙ্গীর দরকার নেই মেয়েদের!

পক্ষান্তরে, সমাজে একটা ছেলে জব পেলে যদি ছেলেটা অবিবাহিত হয় তবে যে বিয়ে করার কথা চিন্তা করে। আর বিবাহিত হলে পরিবার কিভাবে আরও ভালোভাবে চালানো যায়, তার স্ত্রী, সন্তান, পিতা-মাতাকে কিভাবে আরও ভালোভাবে দেখভাল করা যায় সেটার দিকে তার নজর থাকে। মোরাল গিয়ে দাঁড়ালো ইনকাম করলে নিজেই নিজের চালিকা শক্তি হবার দরুন পুরো পরিবার এর দায়িত্ব নিজ কাধে আরও পাকাপোক্ত ভাবে তুলে নিতে চায় ছেলেরা।
"কামাই থাকলে জামাই লাগেনা" কথার জবাবে এবার যদি ছেলেরা বলে বলে "কামাই যত ভুরি ভুরি বউকে মুগুর ততগুলি" তবে কি নারীবাদীরা ছেলেদের নারীবিদ্বেষী বলবে? তখন কি নারীবাদীরা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠবে এই প্রবাদ দ্বারা সমাজে নারী বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে বলে?
"কামাই থাকলে জামাই লাগেনা" বলে সমাজে বিভেদ তৈরি করেছেন আপনারা অর্থাৎ নারীবাদীরা। পুরুষের সাথে বিভেদ করে আপনারা লোক দেখানো তথাকথিত নারীর অধিকার প্রকিতপক্ষে যেটা আসলে নারীর ক্ষমতার অপব্যাবহার করে চলেছেন সেটার উপযুক্ত জবাব যদি কোন পুরুষ দেয় তবে তবে সেটা কিন্তু নারীবিদ্বেষ হবেনা ডিয়ার নারীবাদীরা, হবে, তখন হয়ে যাবে যেমন কুকুর তেমন মুগুর।
বিভেদকে ভুলে অভেদ এর পথে আসাটাই বাস্তব, মার্জিত এবং সদাচারন কাজ যেটা সুস্থ মস্তিস্ক এর একটা মানুষ এর মাথায় খেলবে। আর এই খেলাটা মাথায় খেলাতে হলে সবার প্রথমে প্রয়োজন নারীবাদ উৎখাত করা। তবেই নারীবাদীদের বিভেদী নীতি অভেদী নীতিতে পরিনত হবে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৯

 আজকাল নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা এবং ধর্ষণ মামলার অপব্যাবহার বাড়ছে সর্বত্র। কোন মেয়ের পুরুষের সাথে ঝামেলা হলেই তার বিরুদ্ধে নারী এবং শিশু নির্যাতন মামলা বা ধর্ষণ মামলা দিয়ে দিচ্ছে। ভুক্তভোগী হচ্ছে পুরুষ। এর কারন কি?

নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণ দেশে হয়। অবশ্যই হয়। দেশে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণ এর যথাযথ রেকর্ড বিদ্যমান, এই বিষয় সন্দেহ নেই। এই অমানবিক এবং নিগৃহীত কাজ রুখতে সরকার নারীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নারীবান্ধব আইন প্রনয়ন করলো, যেটা নারী নির্যাতন বন্ধে অবশ্যই দরকার আছে সন্দেহাতীত ভাবে।
কিন্তু নারীর উপর নির্যাতন এবং অমুলক আচরণ ঠেকাতে গিয়ে নারীবান্ধব আইন করবার দরুন নারীদের একাংশ এই নারীবান্ধব আইনের অপব্যাবহার করে পুরুষের উপর কেবলমাত্র নিজের আক্রোশ থেকে প্রতিশোধপরায়ণ স্বরূপ যে লেভেল এর পুরুষ অধিকার এর খর্ব করে চলেছে তাতে আমি মনে করি এই আইন এর সঠিক প্রয়োগ সুনিশ্চিত করতে প্রশাসন এর আরও বেশী গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।
মেয়েদের মধ্যে জন্মগতভাবে হিংসা, ঈর্ষা বেশী একথা বললে নারীবাদী মেয়েদের তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। কিন্তু মেয়েদের এই অতিরিক্ত ঈর্ষা, হিংসার প্রতিফল স্বরূপ নারীবান্ধব আইনের দ্বারা মেয়েরা যখন পুরুষ অধিকার এর ফালুদা বানায় তখন নারীবাদীরা কুম্ভকর্ণ এর সিজোনাল নিদ্রায় থাকে।
মেয়েদের মিথ্যা মামলা এবং হয়রানির ফলে পুরুষেরা যখন পাল্টা আঘাত করে মেয়েদের তখন নারীবাদীদের ঘুম থেকে জাগ্রত হবার সময় উপস্থিত হয় এবং একতরফাভাবে "পুরুষেরা নারীবিদ্বেষী আচরন করছে" বলে তোতা পাখির মত একি বুলি আওড়াতে থাকে।
প্রকিতিগত এবং স্বভাবগত কারনে একটা পুরুষ স্বাভাবিকভাবে নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। নারী বিদ্বেষী হয় না। আই রিপিট নারীবিদ্বেষী হয় না। নারীবিদ্বেষী একটা কমিউনিটি তখনি তৈরি হয় যখন নারীবাদ নামক একটা সমাজ এবং ধর্ম বিরোধী মতবাদকে প্রশ্রয় করে মেয়েরা পুরুষ অকারনে এবং একতরফাভাবে দোষারোপ করে বলির পাঁঠা বানাবার পাঁয়তারা করে।
অর্থাৎ নারীবিদ্বেষ এর জন্য সরাসরি দায়ী নারীবাদ তথা নারীবাদী তথা নারীবাদী নারী এবং সিম্প পুরুষেরা। একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণ বন্ধ হবার পাশাপাশি আমি নারীবাদ এর গোঁড়া যাতে কর্তন করা হয় তার পক্ষে অবশ্যই সরব আছি এবং থাকবো। মনে রাখতে হবে পুরুষ নারীর সহযোগী, প্রতিযোগী নয়, একটা সুস্থ সমাজ তথা দেশ গঠন তখনই সম্ভব যখন পুরুষ নারীর সহযোগী হবে, প্রতিযোগী নয়।

Thursday, April 6, 2023

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৮

 হেটরেড কে ছড়ায় ভাই? নারীবাদী বিরোধীরা? নারীবিদ্বেষ ছড়ায় তারা? এক হাতে তো তালি বাজে না ভাই। আপনারা নারীবাদীরা "নারীর অধিকার সুরক্ষার" নামে একপেশে নারীবান্ধব নিয়ম চালু করবেন, নারীর অধিকার যাতে প্রাপ্তি হয় সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে পুরুষকে যেন তেন উপায় হেনস্থা করেন তার বদলে কি আশা করেন আপনারা? ফুল চন্দন দিয়ে বরন করে নেয়া আপনাদের এই গোপাল ভাঁড় এর নীতি? একি মগের মুল্লুক নাকি?

আপনার এই ভাঁড়ামির বিপরিতে যখন আপনাদের এই ভাঁড়ামি সমর্থন করা নারীদের বিরুদ্ধে যৌক্তিকভাবে বিরোধিতা করা হয় আপনারা বলে বসেন এটাকে নারীবিদ্বেষ, ওয়াট ননসেন্স? নারীবাদ এর নামে একপেশে নারীবান্ধব নীতির যৌক্তিক সমালোচনা করা কোন মানুষই পারত নারী বিদ্বেষী নয়। কিন্তু তারা নারীবাদ সমর্থনকারী নারী অবশ্যই বিদ্বেষী,প্রশ্ন উঠতে পারে কেন? কেন ভাই? বিদ্বেষ শব্দটা শুনে বাজ পড়ল নাকি মাথায়? তাহলে আপনারা নারীবাদ এর নামে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে শুরু করে নারী নির্যাতন আইন এর অপব্যাবহার করে করে পুরুষকে হেনস্থা করেন সেটাকে কি বলা উচিৎ? পুরুষ ভক্তি? নাকি পুরুষ বিদ্বেষ?
নারীবাদ এর একরোখা সমাজে অশান্তি সৃষ্টিকারী নীতির কারনে সমাজে যে বিশৃঙ্খলার তৈরি হয় সেটার বিরোধী যে কোন শক্তি বাস্তবে নির্যাতিত হওয়া কোন নারীর বিরোধিতা করে নাই বা করছে না বা করবেও না। কারন একজন নারীর প্রতি অবমাননা এবং অত্যাচার এর বিরোধিতা করতে আমাদেরকে কাগজে কষে আরেকটা নতুন মতবাদ আবিস্কার করা আবশ্যক নয় যে মতবাদ নারীর অধিকার সুরক্ষা করতে নিয়ে পুরুষকে হেনস্থা করে।যেটা দরকার সেটা হল বোধ, বিবেচনা আর সঠিক সামাজিক এবং স্ব স্ব ধর্মীয় শিক্ষা পাওয়া।
সুতরাং নারীবাদ এর নামে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করা নারীদের প্রতি বিদ্বেষ থাকাটা একটা সুস্থ সমাজ এবং দেশ এর সাপেক্ষে অবশ্য কর্তব্য যে কোন সচেতন এবং বিবেকবান মানুষের। আর আমরা যারা নারীবাদ এর বিরোধিতা করছি তাদের অবস্থান এটাই। নারীবাদ বিরোধী কোন নারীর প্রতি বিদ্বেষ আমরা সমর্থন করি না এবং নারীর প্রতি অমুলক যে কোন আচরণ আমরা সমর্থন করি না। কিন্তু নারীবাদ এর নামে নারীর দ্বিচারিতা এবং ভন্ডামির বিরোধিতা এবং এই সমাজ এবং ধর্ম বিরোধী মতবাদ সমর্থনকারী যে কারোর প্রতি আমরা বিদ্বেষ অবশ্যই পোষণ করি একটা সুস্থ সমাজ নির্মাণ হেতু।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৭

 "সতীত্ব দেহে না মনে থাকে" জয়গান গেয়ে বেড়ানো নারীবাদী সিম্প পুরুষ এবং ফ্রি লাইফস্টাইলে বিশ্বাসী নারীবাদী আপুরা কোন লজিকে মনের ভিতর ভার্জিনিটি নিয়ে ঘুরে বেড়ান সেটা রীতিমতন গবেষণার বিষয়। সতীত্ব বিষয়টা সরাসরি দেহের সাথে জড়িত, সেখানে মনের সতীত্ব নির্মাণ করে নিজেদের লজিকাল বলা নারীবাদীরা কেবল নিজেদের অবাস্তব এবং মূর্খ বলেই প্রমান করেনি বরং সেচ্ছাচারী অসামাজিক, অবৈধ এবং ইসলাম বিরোধী যৌনাচারকে প্রমোট করে চলেছে তারা। এসব করে এই নারীবাদী নারী এবং পুরুষ একে অপরের মন বুঝে চলতে পারবে কেবল, সুস্থ সমাজে বাস্তবিক আলোচনায় অংশ নিলে তখন দেখতে হবে কেবল আকাশ ভরা তারা।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৬

 পুরুষের প্রতি অবিচার নিয়ে লিখলে গেলে দেখা যায় "নারীর প্রতিও অবিচার হয় দেখেন না?" টাইপের কমেন্ট করা এক নয়া নারীবাদী সিম্প আজকাল দৃশ্যমান হচ্ছে। আরে ভাই, আলোচনা হচ্ছে পুরুষ এর প্রতি অবিচার নিয়ে, এখানে নারীর কথা কেন আসবে? নারীর অধিকার এবং নারীর সাথে অবিচার নিয়ে আলাদা পোস্ট করা হলে সেখানে নারীর অধিকার এবং নারীর প্রতি করা অবিচার নিয়ে ডিসকাশন হবে। একটা আলোচ্য টপিক যেটা পোস্ট করা হয়েছে সেটা টপকে আরেকটা টপিক টার মধ্যে ঢুকিয়ে জগাখিচুড়ি পাকাতে নারীবাদীদের জুড়ি নেই। মানে যেন তেন উপায় "নারী ধোয়া তুলসিপাতা" এইটা তারা সবযায়গায় প্রমান করতে মরিয়া। নারীবাদী পুরুষগুলো নারীবাদী মেয়েদের মন রক্ষার্থে পোস্টে এসে টপিক বহির্ভূত কমেন্ট করে অনুপ্রবেশ করে। সভ্য এবং রুচিশীল নারী যতটা নারীর ধর্ম এবং সমাজ থেকে প্রাপ্ত অধিকার নিয়ে সচেতন ঠিক তততাই বিপরীত লিঙ্গের কোন মানুষ এর প্রতি অবিচার দেখলে সরব থাকে। একপেশে নারীর ভণ্ডামিকে সাপোর্ট দিয়ে নিজেকে অণ্ডকোষহীন বলে প্রমান করে কোন রুচিশীল নারীর মন পাওয়া যায় না রে হারামজাদা। গট ইট?

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৫

 নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বলেছিলেন"“ তুমি আমাকে শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দিবো ” উনার এই উক্তিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আজকালকার মেয়েরা "শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী নারীর ডিভোর্স দেয় বেশী" ট্রেন্ড সমাজে সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে। এর কারন কি?

কারন বিশ্লেষণ করতে গেলে দেখা যাবে একটা শিক্ষিত মেয়ে শিক্ষিত হয়ে নিজের স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে ফেললে যে তার পুরুষ সঙ্গীর অর্থনৈতিক অবস্থান 'তার সাথে যায় না" আর বিধায় সে নতুন পুরুষ সঙ্গীর খোঁজ করে যে কিনা তার থেকেও সোশ্যাল স্ট্যাটাস বেশী। অর্থাৎ একটা সূক্ষ্ম বিষয় স্পষ্ট করি, মেয়েরা তাদের সামাজিক পজিশন যাই হোক না কেন তাদের থেকে এক ধাপ উপরে অবস্থান করা পুরুষ সঙ্গীর প্রতি আকর্ষিত হয়। ভেঙ্গে বললে, এই যে নারীকে শিক্ষিত করা হবে, মুক্তির দোয়ার খুলে দেয়া হবে নারীদের জন্য যেটাকে বেজ করে নারীরা পুরুষের সমানে সমান তাল মিলিয়ে কাজ করবে বলা হয়, সেটার উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ব্যর্থ কেননা নারীর যোগ্যতা যত উপরেই হোক না কেন তারা তাদের থেকে উচু সামাজিক অবস্থানে অবস্থান করা পুরুষকেই তাদের জীবন সঙ্গী করতে আগ্রহী হয়।
অর্থাৎ ঘুরে ফিরে পবিত্র কোরআন এর কথাই কিন্তু প্রমানিত হচ্ছে। কি সেটা? সেটা হল, সুরা আল বাকারা আয়াত ২২৮ থেকে "আর নারীদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে।" সুতরাং পবিত্র ইসলাম ধর্ম এর মত বাস্তবসম্মত ধর্মের বাইরে গিয়ে নারীকে পুরুষের সমকক্ষ বানাবার যে অপচেষ্টা করা হচ্ছে সেটা একটা শিক্ষিত নারীর ক্ষেত্রেও কিন্তু খাটে না। ব্যাপারটা প্রমাণসিদ্ধ। তার এই অপচেষ্টাটা করা হয় নারীবাদ নাওক অবাস্তব এবং অমুলক এক নীতির মোড়কে মুড়ে। যেটা ধীরে ধীরে স্পষ্টত প্রমানিত সমাজের রুচিশীল মানুষের নিকট। ছেলেদের উচিৎ কোন কম বয়সী মেয়েকে বিয়ে করলে তাকে পড়াশুনা করাবে কি করাবে না শেষ পর্যন্ত এইটা তার মনোভাব দেখে তবে সিদ্ধান্ত নিক, নাহয়, বউ পড়াশুনা শেষে নিজের স্ট্যাটাস পরিবর্তন হলে বউকে খুঁজে নাও পাওয়া যেতে পারে।
এই পোস্টে "শিক্ষিত নারীর সমাজে প্রয়োজন আছে", নারীদের আত্মনির্ভর হওয়া দরকার", "মেয়েরাও নির্যাতিত হয়" টাইপের কমেন্ট কোন নারীবাদী করলে আমার নিকট হতে একটা বজ্রমুষ্টি খাবেন নিশ্চিত থাকতে পারেন। পোস্ট এর কোথাও বলা হয় নাই, শিক্ষিত মেয়ের দরকার নেই বা মেয়েরা নির্যাতিত হয় না কিন্তু যেখানে শিক্ষিত মেয়েদের ভণ্ডামি এবং দ্বিচারিতার কথা বলা হচ্ছে সেখানে নির্ধারিত বিষয় টপকিয়ে অন্য কিছুর আলোচনা কোন বোধ সম্পন্ন মানুষ করতে পারে না বলে বিশ্বাস করি। করতে পারে ইসলাম নিয়ে বড় মাপের অ্যালার্জিতে ভোগা নাস্তিক এবং নারীবাদীরা কেবল।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৪

 নারীবাদী মেয়েদের একটা বড় দোষ হল এরা "নারীর অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে" এই বুলি সামনে রেখে "মেয়েরা নির্যাতিত হচ্ছে" এইটা প্রমান করে পরবর্তীতে ছেলেদের উপর ডোমিনেট করে বিভিন্ন নারীবান্ধব আইন দ্বারা। আর এই ঘটনাটা যাতে কেউ ধরতে না পারে সেই জন্য ধাপাচাপা দেবার জন্য ওই একই বুলি অর্থাৎ "নারীর অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে" বলে বেড়ায়। বাস্তবিক অর্থে নির্যাতিত নারীর প্রতি সহমর্মিতা এবং তাদের পাশে দাঁড়াতে "নারীবাদী" হবার কন আবশ্যকতা নেই। নিজ বোধ এবং বিবেক ব্যাবহার করলেই একপেশে নারিবান্ধব নীতি এবং পুরুষ বিদ্বেষ ছাড়াই নির্যাতিত নারীর পাশে দাঁড়ানো সম্ভব।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩৩

 ইউনিসেফ নির্মিত কার্টুন মীনা বেশ জনপ্রিয়। বাংলা সহ আরও ৫ টি ভাষায় দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোতে শিশুদের জেন্ডার ইকুয়েটি সম্পর্কে ধারনা দিতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়। কিন্তু জেন্ডার ইকুয়েটি শিক্ষা দিতে গিয়ে কেবল একপেশে মীনার সাথে ভালো ব্যাবহার হয় না, মীনাকে ভালো খেতে দেয় না, মীনাকে স্কুলে যেতে দেয় না জাতীয় গল্পগুলো খুব সুনিপুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মানে অন্যায় এবং অবিচার কেবল মেয়ে শিশুর বেলায়ই সমাজে ঘটে থাকে কিন্তু ছেলে শিশুর বেলায় থাকে ঊহ্য! এই হচ্ছে মীনা কার্টুন এর ম্যাসেজ তথা জেন্ডার ইকুয়েটির ম্যাসেজ।

দাঁড়ান ভাই, ঢাকার রাস্তায় গাড়ির দোকান, বাইকের দোকান থেকে শুরু করে মেটাল গলানোর কাজে আমি বাচ্চা ছেলেদের অংশগ্রহন দেখেছি, লেগুনার একেবারে কোনায় বসার সুবাদে দেখেছি কি ধরে ৮-৯ বছরের ছেলে শিশু গুলো ঝুলে ঝুলে ভাড়া আদায় করছে। এইগুলো কি? জাস্টিস? মানে এইগুলো নিয়ে সচেতনতার দরকার নেই? জেন্ডার ইকুয়েটি বলতে শুধু মেয়ে শিশুদের সুবিধা সুনিশ্চিত করা বোঝায়? বাংলাদেশ বাদ দিলাম, ভারত, পাকিস্তান এমনকি যদি নেপাল এর চিত্র যদি দেখা হয় তাহলে আরও বেশী মাত্রায় ভয়াবহ রকমের ছেলে শিশুদের লেবার কাজে ইনক্লুড দেখা যায়।
তার মানে দক্ষিন এশিয়ার বাস্তব সমাজ জীবনে ঘটা ঘটনাগুলো কেবলমাত্র মেয়ে শিশুদের বিরুদ্ধে ঘটে থাকে তাই ইউনিসেফ জেন্ডার ইকুয়েটির নামে কেবলমাত্র মেয়েশিশুর সাথে ন্যায্য ব্যাবহার পাচ্ছে না বলে একটা ম্যাসেজ দিয়ে এই মীনা কার্টুন তৈরি করেছে।
এর পিছনে রয়েছে নারীবাদী মনোভাব আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে একপেশে মেয়েদের সুবিধা সুনিশ্চিত করে ছেলেদের রাইট হাইড করে রাখা। আর এই যে একপেশে মেয়েদের সুবিধা সুনিশ্চিত করার অপচেষ্টা এর থেকে জন্ম নিয়েছে পুরুষবাদ, বোঝা গেছে ডিয়ার নারীবাদী ভাইয়া আপুরা?
আপনারা জেন্ডার ইকুয়েটি চান, কিন্তু জেন্ডার ইকুয়েটির নামে একপেশে মেয়েদের সুবিধা সুনিশ্চিত করার যে প্রবল মনোবাঞ্ছা ঠিক এই অদ্ভুত এবং অবাস্তব মনোবাঞ্ছার কারনে সমাজ হয় অশান্ত, তৈরি হয় নারীবিদ্বেষ, বোঝা গেছে?
নিউটন এর তৃতীয় ল অনুযায়ী "For every action, there is an equal and opposite reaction" অর্থাৎ “প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে" আপনাদের একপেশে নারীবাদী চিন্তা এবং পুরুষ বিদ্বেষ এর সমান এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া হল পুরুষবাদ এবং নারীবিদ্বেষ। এগুলো দূর করতে চান? নারীবাদ সমাজ থেকে পরিহার করেন, পুরুষবাদ অটোমেটিক হাওয়া হয়ে যাবে।
পরিশেষে বলতে চাই, আমাদের দক্ষিন এশিয়াতে মেয়ে শিশুর পাশাপাশি অনেক ছেলে শিশুর সাথে অবিচার হচ্ছে। ফ্লিম বা কার্টুন বা সমাজকে উপযুক্ত ম্যাসেজ দিতে হলে মীনার পাশাপাশি ওই লেগুলাতে ঝুলে ঝুলে ভাড়া সংগ্রহ করা ছেলেটাকে, ১০ বছরের ছেলে যে কিনা বসে বসে মেটাল গলায় তাদেরকে নিয়েও কাজ করুন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলো। তবেই না প্রকিত জেন্ডার ইকুয়েটি সুনিস্থিত হবে আর বাচ্চাগুলো সঠিক ম্যাসেজটা পাবে।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩২

 "মাই বডি মাই চয়েস" নিয়ে নারীবাদী মেয়েদের উচ্ছ্বসিত করার কারন আমি বিশ্লেষণ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কোন ভ্যালিড লজিক পেলাম না। নারীদেহ কোমল এবং পেশী বহুল নয় প্রকিতিগত ভাবে পুরুষের মত। এবার কোন নারী প্রকিতি এর বিরুদ্ধে গিয়ে ছেলেদের মত পেশী বানাতে চাইলে তো বিষয়টা লজিকাল হতে পারে না। কারন সেতো প্রকিতির বিরুদ্ধে গিয়ে পেশী বানাতে চাইছে।

একইভাবে কোন নারী শুধু মাত্র শিশু জন্মদানে সক্ষম বিধায় সামাজিক কিংবা অসামাজিকভাবে কোন পুরুষের সাথে মেলামেশার দরুন গর্ভবতী হয়ে পরে " এই মুহূর্তে আমি মা হতে চাই না" ভেবে এবরশন করার অধিকার রাখে না। কারন কি? কারন হল, শিশু গর্ভে থাকা মানে একটা জতুন জীবন নারিদেহের ভিতর থাকা। কোন নারী সেই প্রানকে কেড়ে নিতে পারে না। এইটা " আমার ভালো লাগছে না টাই আমি সিশুকে মেরে ফেলবো" টাইপের কথা হয়ে গেল, ইচ্ছাকৃতভাবে মার্ডার এর শামিল। "মাই বডি মাই চয়েস" হতে পারে এই হিসাবে, আপনি শিশু জন্মদানে আগ্রহী নন, তাহলে পুরুষের সাথে সামাজিক বা অসামাজিক কে কোন ধরণের মেলামেশা বন্ধ করুন। নিজের মত থাকুন। কিন্তু নতুন একটা প্রানকে মেরে ফেলার অধিকার "মাই বডি মাই চয়েস" স্লোগান দিয়ে কোন নারী করতে পারে না।
কোন নারী যদি "মাই বডি মাই চয়েস" এর দোহাই দিয়ে এবার ছেলেদের মত দাঁড়িয়ে প্রসাব করার চেষ্টায় উঠে পড়ে লাগে তবে বিষয়টা শুধু দৃষ্টিকটু হয় না, একই সাহতে অমাসাজিক এবং অশালীন বিষয় পরিনত হয়। কারন অই একই, নারীদেহ প্রকিতিগত ভাবে দাঁড়িয়ে প্রসাব করার যোগ্য নয়।
শেষে আসি, "বৈবাহিক ধর্ষণ" এর কথায়, নারীবাদী মেয়েদের আবিস্কার করা নয়া টার্মগুলোর মধ্যে সবচাইতে মিনিংলেস টার্ম হল এই বৈবাহিক ধর্ষণ। "মাই বডি মাই চয়েস" এর দোহাই নিয়ে একজন নারী তার বিবাহিত স্বামীকে শুধুমাত্র তার রুচিমতন শারীরিক মিলনে যেতে বাধ্য থাকবে এই জাতীয় একটা অবাস্তব চিন্তা এবং একইসাথে "বৈবাহিক ধর্ষণ" টার্মটা ব্যাবহার করার মধ্য দিয়ে সমাজ এবং ধর্ম স্বীকৃত বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ একটা যুগল এর পুরুষকে বলির পাঁঠা বানানোর একটা অপচেষ্টা করার উপায় মাত্র। সাথে এই চিন্তার আড়ালে "পুরুষ মাত্রই ধর্ষক" কিন্তু প্রমোট করা হয়ে যাচ্ছে।
এই ধরণের পুরুষবিদ্বেষ এবং অসামাজিক ও ধর্ম বিরোধী কাজগুলর সম্মুখে যে স্লোগানটা দাঁড়িয়ে আছে সেটা হল এই "মাই বডি মাই চয়েস" আমি এই স্লোগান এর বিরুদ্ধে গিয়ে "বডি কুড বি মাইন বাট চয়েস মাস্ট বি মোডেস্ট" (Body could be mine but choice must be modest) বলে এর প্রতিবাদ করছি।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩১

 নবীজি (স.) বলেছেন "আমি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য নারী জাতির ফিতনা চাইতে অধিক ক্ষতিকর কোন কিছু রেখে যাইনি"

(সহিহ বুখারিঃ৫০৯৬) (সহিহ মুসলিমঃ২৭৪০)
উপরের রেফারেন্স এর সত্যতা দেখতে পাচ্ছি। নারী তার রুপ দিয়ে বেশীরভাগ পুরুষকে বশীভূত করে আমরা জানি সে নারী যতই খারাপ হোক না কেন তার পিছনে পিছনেপুরুষ ঘুরে বেড়াবে। নারী সঙ্গ প্রাপ্তির আশায়। এইটা হল বেসিক ঘটনা, যেটা আমরা দেখতে অভ্যস্ত।
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ইসলামিক নারীবাদী মেয়েরাও তাদের ইসলামিক খোলস এর আড়ালে গিয়ে ইসলামিক লেবাস এবং ধর্মীয় রেফারেন্স দিয়ে নিজেদের টাইমলাইনে রেখে পুরুষ মানুষের ব্রেইনওয়াশ করে। এবং সেটা হাতে নাতে সেই পুরুষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার পরেও হিপনোটাইজ এর মত বকতে থাকে এক জপ, 'আপনি জানেন না উনি কত ভালো" "আগে উনার টাইমলাইনে ইসলামিক লেখা পড়ে আসেন", "আপনি নিজে ভুল পথে আছেন" ইত্যাদি বলে। পারত এই ইসলামিক নারীবাদী মেয়েরা ভয়ঙ্কর হয় সাধারণ নারীবাদীদের থেকে কারন এই মেয়েদের শুধু ছেলেরা কেন মেয়েরাও ধরতে পারে না কারন এদের গায়ে "ভদ্র" তকমা আগেই লাগানো থাকে পর্দা এবং টাইমলাইনে ধর্মীয় রেফারেন্স এবং পোস্ট করার মধ্য দিয়ে। আহ্লাদে গদগদ হয়ে টোটালি ছেলেদের মাথা খারাপ হয়ে যায় এই জাতীয় মেয়েদের দেখলে কারন তারা সাধারনত ভেবে নেয় এই মেয়ে সহিহ ইসলাম মেনে চলে সুতরাং এই মেয়ের ন্যায় ভদ্র মেয়ে আর কেউ নেই।
দেখা যায় এই জাতীয় মেয়েরাই নারীবাদ এর বিরুদ্ধে কথা বললেই আপনাকে নারী বিদ্বেষী বানিয়ে দেবে। আশ্চর্য ব্যাপার, নারীবাদ কি হিজরা সম্পর্কিত না পুরষ সম্পর্কিত না নারী সম্পর্কিত হে মূর্খ মেয়ে? নারী সম্পর্কিত, তাহলে নারীবাদ যেহেতু ইসলাম বিরোধী এবং এই ইসলাম বিরোধী মতবাদ যেহেতু নারী সম্পর্কিত তাহলে বিদ্বেষটা বেসিক্যালি কার উপর আসবে? পুরুষ? হিজরা? না নারী??? আহাম্মক কোথাকার এরা, এইখানে এই নারী বিদ্বেষ তো নারীবাদ এর বিপক্ষে থাকা নারীদের বিরুদ্ধে বলা হয় নাই, তারা এই বিদ্বেষ এর আওতার মধ্যে পড়ে না, আমি নিজেই নারী এবং নারীবাদ বিরোধী, সেখানে নারীবাদ সমর্থন করা নারীর প্রতি বিদ্বেষ থাকলে সেইটাকে এই সল্প শিক্ষিত ইসলামিক নারীবাদী মেয়েরা "নারী বিদ্বেষ" ছড়ানো হচ্ছে বলে একটা কমন এবং বহুল প্রচলিত বুলি আওড়াতে থাকে এবং নারীবাদকে ডিফেন্ড করে থাকে। বৈবাহিক ধর্ষণ এর মত হারাম মতবাদও আজকাল এই জাতীয় ইসলামিক নারীবাদীদের মুখে শোনা যায়। এই ইসলামিক নারীবাদী মেয়েদের ইসলামিক লেখা পড়ে আমি কি করবো? ইসলামিক পোস্ট করে হারাম নারীবাদ সমর্থন করে কথা বললে সেটা হালাল হয় যায় নাকি?? এতো বিসমিল্লাহ বলে শূকর এর মাংস খাবার শামিল, নাউজুবিল্লাহ। আবার তাদের সমর্থনে ব্রেইন ওয়াশ হওয়া ছেলেরাও একই তালে নাচতে থাকে। নবীজির সেই আমলে নারীর ফিতনার কথা বলে গেছেন আজও আমরা স্পষ্ট সেটা দেখতে পাই।
নিজের ঈমান রক্ষার্থে মুমিন পুরুষগন নারীর ফিতনা থেকে বাঁচতে এই জাতীয় ইসলামিক নারীবাদী মেয়ে থেকে দূরে থাকুন। বোরখা, হিজাব পরা দেখে এবং টাইমলাইনে ইসলামিক পোস্ট দেখেই "মেয়েটা আলহামদুল্লাহ" ভেবে তার মন রক্ষার্থে ভুলভাল কথা সমর্থন করে নিজের ঈমান এর ১২ টা বাজাবেন না।
ইসলাম এর স্বার্থে নারীবাদ রুখতে আমি গোঁড়া থেকে নারীবাদ এর মূল উৎপাটন করবো বলে ওয়াদা করেছি। যত গভীরেই থাকুক না কেন, আমি নারীবাদকে টেনে হিঁচড়ে বের করবো ইনশাআল্লাহ।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৩০

 কিছুদিন আগে এক জাতের সুপ্ত নারীবাদী মেয়েদের কথা বলেছিলাম যারা কিনা সারাদিন টাইমলাইনে ধর্মীয় বয়ান শেয়ার করে দিন শেষে "পুরুষ মাত্রই ধর্ষক" এবং "নারী পুরুষ সমান অধিকারে" বিশ্বাস করে।

আজ বলব এক জাতীয় পুরুষ এর কথা, যারা কিনা ইসরায়েলকে গুঁড়িয়ে দিয়ে জিহাদের ডাক দিতে মুখিয়ে থাকে নিজেকে সাচ্চা মুসলিম হিসাবে প্রমান করবার জন্য কিন্তু "শাড়ীতেই নারী" জাতীয় পোস্ট এবং কমেন্ট করে নিজেকে লিবারেল গোষ্ঠীর কাছে সেফ রাখে এবং পারত সুপ্ত শ্রেণীর নারীবাদী মেয়েদের মন রক্ষা করে চলে।
শাড়ি মুসলিম মেয়েদের পোশাক হতে পারে না। আপনার শাড়ি ভাল লাগে, পরতেই পারেন তবে সেটাকে "ইসলাম সম্মত" বললে আপনি অবশ্যই আমার কাছ থেকে মুগুর খাবেন। শাড়ি এমন একটা পোশাক যেখানে পরিপূর্ণ শালীনভাবে থাকা একেবারেই অসম্ভব। মুসলিম মেয়েদের জন্য বোরখা ছাড়া শালীন পোশাক একমাত্র সেলওয়ার কামিজ এর সাথে ওড়না।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২৯

 শিক্ষা মানুষকে অহমিকা রোধ করা শিখায়, কিন্তু মেয়েরা একটু উচ্চ শিক্ষিত হলেই বিমান ছাড়া আকাশে ভেসে বেড়ানো পছন্দ করে। কিছু পরিচিত মেয়েদের দেখলাম মাস্টার্স এবং পিএইচডি করেছে বিধায় তাদের সমমানের লেভেল ছাড়া কথা বলতে ইচ্ছুক না। আরে আপা, পরে জন্মাইছি, আপনাদের থেকে বয়স কম তাই এখনও স্নাতক শেষ করি নাই, বয়স বাড়ুক, ধাপে ধাপে পাস করবো, কিন্তু বয়সে ছোট বিধায় আপনাদের ডিগ্রি এখনও নিতে পারি নাই তাতে আপনাদের অহমিকা প্রদর্শন ঠিক কোন ধরনের শিক্ষিত মানুষের শিক্ষার মূল্যবোধ এর প্রকাশ আল্লাহ জানেন কেবল। ঘুরে ফিরে আবার একি কথা বলতে হচ্ছে তাই, উচ্চ শিক্ষিতা নারী অহংকারী এবং নাক উঁচু স্বভাব এর হয়।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২৮

 বেশ কিছু তথাকথিত "সহিহ" পর্দা করা মেয়ে, যারা কিনা সারাদিন ইসলামিক পোস্ট শেয়ার করে ইদানিং কয়েক দফায় আমাকে ম্যাসেজ দিয়ে "আপু আপনার লেখা ভালো লাগে", "এভাবেই চালিয়ে যান" ইত্যাদি প্রশংসা করেছে। আমি প্রথমেই ওয়ারনিং দিয়েছিলাম তাদের আমি স্বজাতি পছন্দ করি না এবং মেয়েদের বিষয় তিতা সত্য লিখি নারীবাদ রুখতে, এটা মেনে নিতে পারলে আমার বন্ধু তালিকাতে থাকতে পারে তারা, তারা সানন্দে সেটা সেই মুহূর্তে মেনে নিলেও কিছুদিন পর তাদের দেয়া পোস্টে আমার নারীবাদ বিরোধী স্ট্যাটাস সইতে না পেরে কান্নাকাটি করে স্ট্যাটাস দিলে ভীষণ অবাক হয়ে যাই, তারও কিছুদিন পরে দেখা গেল তাদের ম্যাসেজে "ইউ কান্ট রিপাই দিস কনভারসেশন" দেখাচ্ছে।

😂😂 অর্থাৎ সইতে না পেরে ব্লক করেছে তারা আমাকে।
এইরুপ "বোরখা পরিহিতা", "ফেসবুকে একটাও ছবি না দেয়া" জিজ্ঞাসা করলে "৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি" বলুয়া, "টাইমলাইনে হাদিস শেয়ার করা", "ইসলামিক পোস্ট করা সারাদিন" মেয়েদেরকেই "ইসলামিক নারীবাদী" বলা হয়। পবিত্র ইসলামকে ব্যাবহার করে এই জাতীয় মেয়েগুলো "নিজেদের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র" বলে প্রচার করতে চায়। এওং বলা বাহুল্য আশ্চর্যজনক ভাবে এই ট্রিকে কাজও হয়! বেশীরভাগ মানুষ এদেরকে "ভালো" "ইসলামিক মাইন্ড" এর বলে চিনে থাকে!
আমি স্বজাতি একেবারেই পছন্দ করিনা তার একটা বড় কারণ হল দ্বিচারিতা। মেয়েদের হিংসা, ঈর্ষা স্বভাবগতভাবে বেশী থাকে, এসব এর সাথে দ্বিচারিতা যোগ হলে এর চাইতে নিকৃষ্ট কেউ হতে পারে না। সমাজে বর্তমানে এই "ইসলামিক নারিবাদীর" সংখ্যা সাধারণ নারীবাদীর থেকে বেশী দেখা যাচ্ছে। আমি ভার্চুয়াল ফেসবুকে এমন বহু দেখেছি, তবে এ কথা সত্যি আমি প্রকিত ইসলামিক মাইন্ড এর মেয়ে দেখেছি ফেসবুকে যারা আসলেই পারত ইসলামিক ভাবধারা অনুযায়ী নারীবাদ এর বিপক্ষে অবস্থান করে। আমার বন্ধু তালিকাতেই তারা আছেন বেশ কয়েকজন। তবে সংখ্যাটা অতি নগণ্য।
এই পোস্ট করার উদ্দেশ্য নারীবাদী মেয়েদের মুখোশ উন্মোচন করা। সঠিক পথে থাকা মানব এবং মানবী উভয় এই পোস্ট এর মর্মার্থ বুঝে এই "ইসলামিক নারীবাদী" মেয়েদের রুখে দেবে ইসলাম এর স্বার্থে এটাই আশা করছি।

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২৭

 অশালীন পোষাকে চলাফেরা করলে সেটা দৃষ্টিকটু লাগে দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর মানুষের কাছে, আরও স্পষ্টভাবে দক্ষিন এশিয়ার মুসলিম দেশ হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে। এর কারণ ধর্মীয় এবং সামাজিক। আমাদের দেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম এর দেশ, সুতরাং ইসলামিক রীতিনীতি ফলো করা খুব সাধারণ একটা ব্যাপার এদেশীয়দের জন্য। এইটা ইলজিকাল কিছু না। দক্ষিন এশিয়ার অমুসলিম সংস্কৃতি যেটা ইসলাম এর স্বার্থে সম্পর্ক নেই সেটাও কিন্তু পশ্চিমা বিশ্ব এর সাথে যায় না কোনভাবে। এই কথাটাকে নিয়ে অনেকে রচনা লেখবার আরও সুপস্ত করে বলি, অমুসলিম দক্ষিন সেইয়ার সংস্কৃতি তথা ভারতীয় সংস্কৃতিতে কিন্তু পশ্চিমা ধাঁচে চলাফেরা সহজভাবে নেয় না। ভারতীয় তরুন তরুনিরা পশ্চিমা ধাঁচে চললেও তাদের প্রাইম মিনিস্টার থেকে শুরু করে প্রবিন শালীন গোষ্ঠী কিন্তু তাদের কালচার অনুযায়ী চলাফেরা করে থাকে। যার প্রভাব বাংলাদেশেও আছে যেহেতু কাগজে কলমে আমাদের দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক এবং সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ। যেহেতু ধর্মীয় সংস্কৃতি এবং অমুসলিম সংস্কৃতি কোনটাই আমাদের পশ্চিমা সংস্কৃতি গ্রহন করে না তাই আমাদের দেশে পশ্চিমা সংস্কৃতি বর্জনীয়। সেখানে জোর করে দেখা যাচ্ছে নারীবাদী মেয়েরা পশ্চিমা ধাঁচের ট্রেন্ড জিন্স টপস, ওড়না ছাড়া কামিজ ইত্যাদি পরে এরপরে মানুষের কাছে স্বাভাবিক ব্যাবহার আশা করছে। অর্থাৎ জোর করে কোন কিছু গেলানর চেষ্টা করবার উপর যদি এই জোর করবার জন্য তাদের মুগুর দেয়া হয় তবে তারা ভেড়ার ছানার মতো ম্যা ম্যা শুরু করে এই বলে যে দেশটা ডেমোক্র্যাটিক, সেকুলার তাই আমরা আমাদের স্বাধীনভাবে পোশাক পড়তে পারবো, এখন কান্ট্রি ডেমোক্র্যাটিক হোক বা সেকুলার হোক, সব দেশ এর এক একটা নিজস্ব ভাবধারা, কালচার এবং ধর্মীয় রীতিনীতি থাকে যেটাকে দেশের মানুষ সম্মান করে, দেশের মানুষের এই সম্মান এর যায়গায় হিট করলে তো মুগুর খেতেই হবে এই মেয়েগুলোকে। বলা বাহুল্য আমাদের দেশে বিদেশী আসলে সেই ক্ষেত্রে কিন্তু আমরা তাদের পোশাক নিয়ে সমালোচনা করি না বা তাদের আমরা জোরাজুরি করি না। এমনকি তাদের দেশে গিয়েও বিদেশীদের আমাদের কালচার ফলো করতে হবে বলে জোরাজুরি করি না সেখানে দেশীয় মেয়েদের নারীবাদী হওয়ার সুবাদে দেশের কালচার এর ফালুদা বানিয়ে জোরপূর্বক বিদেশী কালচার ফলো করে ওড়না ছাড়া জিন্স টপস পরলে দেশের সচেতন নাগরিকরা অবশ্যই এর প্রতিবাদ করবে, আর এই প্রিবাদ করাটাকে ব্যক্তিস্বাধীনতা হরন বলে বলে বলে "দেশীয় সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় রীতিনীতি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া"

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ২৬

 দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম সমাজ নীতি এবং টোটাল ইসলামিক রীতি অনুযায়ী একটা পুরুষ এর দায়িত্ব হল পরিবার চালানো। মেয়েদের নয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘সন্তানের পিতার ওপর সন্তানের মায়ের জন্য অন্ন-বস্ত্রের উত্তম পন্থায় ব্যবস্থা করা একান্ত দায়িত্ব।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৩৩)।

ইসলাম নারীকে বাইরে গিয়ে চাকরী করার অনুমতি দেয় নাই এইটা যেমন সত্য নয় তেমনি বর্তমানে সমাজ এর পরিস্থিতি মেয়েদের বাইরে গিয়ে কাজ করার উপযুক্ত এটাও সত্য নয়। কোরআন ও হাদিসের কোনো স্থানে নারীর কাজকর্মের ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ আরোপিত হয়নি। শুধু দু’টি বিষয়ের প্রতি সঙ্গত কারণে নির্দেশ দিয়েছে। শর্ত দু’টি হলো প্রথমত, ব্যবসা হতে হবে হালাল পদ্ধতিতে ও শরিয়ত নির্ধারিত সীমারেখার মধ্যে। দ্বিতীয়ত, পর্দা রক্ষা করতে হবে। তাছাড়া ইসলাম নারীদের সৌন্দর্য প্রদর্শনকারী কোনো পেশায় নিয়োজিত হতেও নিষেধ করেছে।
যেহেতু পবিত্র কোরআন এবং হাদিস এর আলোকে উপরের শর্তদ্বয় ইসলামিক শারিয়া ছাড়া বাস্তব জীবনে প্রয়োগ সম্ভব নয় তাই এই অঞ্চলের হুজুররা বা ইসলামিক স্কলাররা মেয়েদের বাইরে গিয়ে চাকরী করাটাকে নিরুৎসাহিত করেছে। এখানে ইসলাম মানলে ইসলামিক রীতি অনুযায়ী উপরে বর্ণিত শর্তদ্বয় পরিপূর্ণ করতে অক্ষম হলে একটা মেয়ে অবশ্যই চাকরী করতে বাইরে যাবে না। কিন্তু হুজুররা ইসলামিক বয়ানে পবিত্র কোরআন এবং হাদিস এর আলোকে উপযুক্ত এই ব্যাখ্যাটা দিলেই দেখা যাচ্ছে বর্তমানে তথাকথিত নারীবাদী মেয়েরা হুজুরদেরকে নারী বিদ্বেষী ট্যাগ দিয়ে দিচ্ছে যেটা কিনা আবার নাস্তিক সমাজে বেশ জনপ্রিয় বচন।
ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকে আপনি কোন বিশেষ ধর্ম, বর্ণ, গোত্র বা কারোর অনুভুতিতে আঘাত না করে নিজের মতামত প্রকাশ করার অধিকার রাখেন তবে আধা ধর্ম মেনে আধা নাস্তিক ভাবে চললে সেটা ধর্মের অবমাননা হয় বিধায় সেটা আইনের চোখেই দণ্ডনীয় অপরাধ।
এইবার আসি ইসলামিক নারীবাদীদের কথায়, যাদের দেখা যায় ইসলামিক নাম দিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে,হিজাব এমনকি বোরখাও পরছে কিন্তু সবকিছু বুঝে শুনেও চাকরী করবার ইচ্ছা পোষণ করছে। এবং তাদেরকে পরিবার থেকে বা স্বামী বাঁধা দিলে তাদেরকেই নারী বিদ্বেষী ট্যাগ দিয়ে দিচ্ছে। অর্থাৎ এরা আমার উপরে বলা পবিত্র কোরআন এবং হাদিস এর ব্যাখ্যা জেনে শুনে বুঝে সরাসরি ইসলাম এর বিরোধিতা করছে তথাকথিত নারীর কর্মক্ষেত্রে যোগদান এবং নারীর অধিকার এর নাম নিয়ে। যেটা সরাসরি ইসলাম অবমাননার শামিল। আর এই ইসলাম অবমাননার জন্য এই নারীবাদীরা অবশ্যই আইনত দণ্ড পাবার যোগ্য।
ক্ষেত্র বিশেষে অনেক মেয়েকে পারিবারিকভাবে বাজে অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে তারা চাকরী করতে বাধ্য হয়, তাদের ক্ষেত্রে মানবতার খাতিরে কনসিডার করা যেতেই পারে তবে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম দেশের সামাজিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ এর খাতিরে একটা মেয়ের থেকে একটা ছেলের চাকরী পাওয়াটা জরুরি, সমমানের একটা ছেলের দায়িত্ব তার বউ নেবে না কিন্তু মেয়ের দায়িত্ব তার স্বামী নেবে বিধায় একটা মেয়ের বদলে একটা ছেলে চাকরী পেলে সেখানে পুরো পরিবার এর মঙ্গল হবে, মনে রাখতে হবে ইসলাম সমান অধিকারে বিশ্বাসী না, ইসলাম ন্যায্য অধিকারে বিশ্বাসী, আর ইসলাম নারীর ন্যায্য অধিকার ঘরেই নির্ধারণ করেছে, বাইরে নয়।
All reactions:
Samiya Chowdhury, Hyeon Jin Hwang and 81 others
15
6
Like
Comment
Share
View more comments

নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪

  না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...