সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ পোস্ট পুরো পড়ে এবং সঠিকভাবে পোস্ট এর ভাবার্থ না বুঝে কেউ অহেতুক তর্ক এর জন্য কমেন্ট করবেন না।
প্রসঙ্গঃ পাশ্চাত্য নারীবাদ বিরোধী অবস্থান এবং ইসলামী নারীবাদ বিরোধী স্থান
নারীবাদ এর ধরন এবং এর পরিবেশ এর উপর এর বিরোধী অবস্থান নির্ভর করে। পশ্চিমা বিশ্বতে নারীবাদ বিরোধী অবস্থানকারীরা নারীর বাইরে গিয়ে কাজ করা সমর্থন করবে দেখবেন, নারী ছোট পোশাক নিয়েও তাদের আপত্তি নেই কিন্তু আমাদের বিশেষ করে মুসলিম যারা নারীবাদী বিরোধী আছি তারা নারীর বাইরে গিয়ে কাজ করাটা সমর্থন করি না, খোলামেলা ছোট পোশাক সম্পূর্ণ হারাম নারীর জন্য। ফেসবুকে কিছু বিদেশী গ্রুপে দেখলাম এই বিশয়গুলো নিয়ে এদেশীয় নারীবাদী বিরোধী লোকজনের সাথে বিদেশীদের বড় মাপের তর্ক হয়ে গেছে। ব্যাপারটা খুবই ক্লিয়ার, বিদেশিরা যারা নারীবাদ পছন্দ করে না তারা নারীদের উগ্র আচরণ, পুরুষ বিদ্বেষকে হাইলাইট করে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, এর পাশাপাশি আমাদের এদেশীয় ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী যারা নারীবাদ এর বিরোধিতা করি আমরা তারা নারীদের ইসলাম সম্মত উপায় বাইরে গিয়ে কাজ না করা এবং পোষাকে শালীনতার বিষয়টাকে ফোকাস করে থাকি।
প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে নারীবাদ বিরোধী ভিনদেশীদের এ কেমন ধরনের নারীবাদ বিরোধী অবস্থান? ভাই, ওদের ধর্ম আলাদা, কালচার আলাদা এবং মনোভাব আলাদা, নারীবাদ বিরোধী অবস্থান কারী একটা পুরুষ বা নারী বিদেশে মেয়েদের জিন্স, টপ পড়া থেকে শুরু করে রাত ১২ তায় বাইরে গিয়ে চাকরী করাকেও সহজে মেনে নেবে তাদের জাতিগত এবং ধর্মীয় দিক থেকে যেটা আমাদের ইসলামে সম্ভব না। তাই অযথা তাদেরকে সাথে নারীবাদ বিরোধী অবস্থান নিয়ে বিরোধিতার কোন যৌক্তিক কারণ আমি দেখতে পাচ্ছিনা। যে বিষয়গুল কমন অর্থাৎ,নারীদের হিপোক্রিসি, নারী বলে বিশেষ সুবিধা নেয়া, ছলনা করা ইত্যাদি যেগুলোর সাথে তাদের সাথে আমরা একমত সেই বিষয়গুলো নিয়েই তাদের সাথে একসাথে কাজ করলে বরং গ্লোবালি নারীবাদ বিরোধী অবস্থান শক্তিশালী হবে। তাদেরকে তাদের কালচার এর বাইরে গিয়ে জোরাজুরি করবার দরকার দেখিনা, তারাও আমাদের ইসলামী কালচার এবং ধর্মমত নিয়ে বিরোধিতা করবার কারণ দেখিনা। এই বিষয়টা মাথায় নিয়ে এদেশীয় যারা নারীবাদ বিরোধী কার্যক্রমে বিদেশী গ্রুপের সাথে কাজ করছেন তারা এগিয়ে চললে ইনশাল্লাহ নারীবাদ সমাজ থেকে মুছে গিয়ে একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে।
No comments:
Post a Comment