বেশ কিছু তথাকথিত "সহিহ" পর্দা করা মেয়ে, যারা কিনা সারাদিন ইসলামিক পোস্ট শেয়ার করে ইদানিং কয়েক দফায় আমাকে ম্যাসেজ দিয়ে "আপু আপনার লেখা ভালো লাগে", "এভাবেই চালিয়ে যান" ইত্যাদি প্রশংসা করেছে। আমি প্রথমেই ওয়ারনিং দিয়েছিলাম তাদের আমি স্বজাতি পছন্দ করি না এবং মেয়েদের বিষয় তিতা সত্য লিখি নারীবাদ রুখতে, এটা মেনে নিতে পারলে আমার বন্ধু তালিকাতে থাকতে পারে তারা, তারা সানন্দে সেটা সেই মুহূর্তে মেনে নিলেও কিছুদিন পর তাদের দেয়া পোস্টে আমার নারীবাদ বিরোধী স্ট্যাটাস সইতে না পেরে কান্নাকাটি করে স্ট্যাটাস দিলে ভীষণ অবাক হয়ে যাই, তারও কিছুদিন পরে দেখা গেল তাদের ম্যাসেজে "ইউ কান্ট রিপাই দিস কনভারসেশন" দেখাচ্ছে।
এইরুপ "বোরখা পরিহিতা", "ফেসবুকে একটাও ছবি না দেয়া" জিজ্ঞাসা করলে "৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি" বলুয়া, "টাইমলাইনে হাদিস শেয়ার করা", "ইসলামিক পোস্ট করা সারাদিন" মেয়েদেরকেই "ইসলামিক নারীবাদী" বলা হয়। পবিত্র ইসলামকে ব্যাবহার করে এই জাতীয় মেয়েগুলো "নিজেদের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র" বলে প্রচার করতে চায়। এওং বলা বাহুল্য আশ্চর্যজনক ভাবে এই ট্রিকে কাজও হয়! বেশীরভাগ মানুষ এদেরকে "ভালো" "ইসলামিক মাইন্ড" এর বলে চিনে থাকে!
আমি স্বজাতি একেবারেই পছন্দ করিনা তার একটা বড় কারণ হল দ্বিচারিতা। মেয়েদের হিংসা, ঈর্ষা স্বভাবগতভাবে বেশী থাকে, এসব এর সাথে দ্বিচারিতা যোগ হলে এর চাইতে নিকৃষ্ট কেউ হতে পারে না। সমাজে বর্তমানে এই "ইসলামিক নারিবাদীর" সংখ্যা সাধারণ নারীবাদীর থেকে বেশী দেখা যাচ্ছে। আমি ভার্চুয়াল ফেসবুকে এমন বহু দেখেছি, তবে এ কথা সত্যি আমি প্রকিত ইসলামিক মাইন্ড এর মেয়ে দেখেছি ফেসবুকে যারা আসলেই পারত ইসলামিক ভাবধারা অনুযায়ী নারীবাদ এর বিপক্ষে অবস্থান করে। আমার বন্ধু তালিকাতেই তারা আছেন বেশ কয়েকজন। তবে সংখ্যাটা অতি নগণ্য।
এই পোস্ট করার উদ্দেশ্য নারীবাদী মেয়েদের মুখোশ উন্মোচন করা। সঠিক পথে থাকা মানব এবং মানবী উভয় এই পোস্ট এর মর্মার্থ বুঝে এই "ইসলামিক নারীবাদী" মেয়েদের রুখে দেবে ইসলাম এর স্বার্থে এটাই আশা করছি।
No comments:
Post a Comment