বিসমিল্লাহ্ বলে নাউজুবিল্লাহ মার্কা কাজ করলে যেমন কাজটা হালাল হয়ে যায় না অনুরূপভাবে হিজাব পরে জিন্স পরলেও কারো পর্দা করা হয় না। শুধুমাত্র আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই নয়, ঢাকাতেও দেখেছি হিজাব এর সাথে জিন্স এর প্রচলন বহুল ইদানিং। এই মেয়েগুলোই ইসলামিক নারীবাদী। পবিত্র ইসলাম এর লেবাস পরে ফায়দা লুটতে চায় এরা। পরিস্কার কথা হল, কেউ যদি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করে ইসলাম মানতে না চায় বা ত্যাগ করতে চায় আইনি ভাবে সেটা সে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিকে লিগ্যালভাবে নিজেকে ধর্মহীন করতেই পারে কিন্তু, ইসলামী রীতি পালন করে তার সাথে আবার হালকা ওয়েস্টার্ন রীতি মিশিয়ে হিজাব এর ফালুদা বানাবার অধিকার নেই কারো। যদি এই কাজ কেউ করে তবে সে তার ইসলামিক পরিচয় নিয়ে ভন্ডামি করে চলেছে। দেখা যায় এদের এই হিজাব জিন্স কম্বিনেশন পরিবর্তন করতে বললে এরা সবাই সুকৌশলে নারী বিদ্বেষী ট্যাগ দিয়ে দেয়। সময় এসেছে এদের মুখোশ উন্মোচন করার। দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম দেশ হিসাবে আমি মনে করি, পর্দা করতে ইচ্ছুক বোরখা যে সব মেয়ে পরে না তাদের জন্য হিজাব এর সাথে শালীন সেলওয়ার কামিজ এবং ওড়নাই বেস্ট পোশাক হতে পারে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
নারীবাদ বিরোধী পোস্ট- ৭৪
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
না-রীবাদ বিরোধী প্রচার করে সোশ্যাল মিডিয়া কাপিয়ে ফেলা "কিছু" পুরুষগন "মা-বোন" ইসুতে গিয়ে ভিজে বিড়াল হয়ে জাওয়ার ঘটনা ইদ...
-
বোরখা পরিহিতা মায়ের ছেলের সাথে ক্রিকেট খেলায় নারীবাদীদের এতো সমস্যা কেন ঠিক বোধগম্য না। এটা এক ধরনের মানসিক ব্যাধি তাদের। তারা চায় মেয়েদের...
-
বিশেষ বিশেষ প্রোগ্রাম ছাড়া সচারচর দৈনন্দিন জীবনে শাড়ি পরে না বাংলাদেশ এর "বেশিরভাগ" নারী। এরপরেও "শাড়িতেই নারী" মানুষ ...
No comments:
Post a Comment