আজকাল নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা এবং ধর্ষণ মামলার অপব্যাবহার বাড়ছে সর্বত্র। কোন মেয়ের পুরুষের সাথে ঝামেলা হলেই তার বিরুদ্ধে নারী এবং শিশু নির্যাতন মামলা বা ধর্ষণ মামলা দিয়ে দিচ্ছে। ভুক্তভোগী হচ্ছে পুরুষ। এর কারন কি?
কিন্তু নারীর উপর নির্যাতন এবং অমুলক আচরণ ঠেকাতে গিয়ে নারীবান্ধব আইন করবার দরুন নারীদের একাংশ এই নারীবান্ধব আইনের অপব্যাবহার করে পুরুষের উপর কেবলমাত্র নিজের আক্রোশ থেকে প্রতিশোধপরায়ণ স্বরূপ যে লেভেল এর পুরুষ অধিকার এর খর্ব করে চলেছে তাতে আমি মনে করি এই আইন এর সঠিক প্রয়োগ সুনিশ্চিত করতে প্রশাসন এর আরও বেশী গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।
মেয়েদের মধ্যে জন্মগতভাবে হিংসা, ঈর্ষা বেশী একথা বললে নারীবাদী মেয়েদের তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। কিন্তু মেয়েদের এই অতিরিক্ত ঈর্ষা, হিংসার প্রতিফল স্বরূপ নারীবান্ধব আইনের দ্বারা মেয়েরা যখন পুরুষ অধিকার এর ফালুদা বানায় তখন নারীবাদীরা কুম্ভকর্ণ এর সিজোনাল নিদ্রায় থাকে।
মেয়েদের মিথ্যা মামলা এবং হয়রানির ফলে পুরুষেরা যখন পাল্টা আঘাত করে মেয়েদের তখন নারীবাদীদের ঘুম থেকে জাগ্রত হবার সময় উপস্থিত হয় এবং একতরফাভাবে "পুরুষেরা নারীবিদ্বেষী আচরন করছে" বলে তোতা পাখির মত একি বুলি আওড়াতে থাকে।
প্রকিতিগত এবং স্বভাবগত কারনে একটা পুরুষ স্বাভাবিকভাবে নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। নারী বিদ্বেষী হয় না। আই রিপিট নারীবিদ্বেষী হয় না। নারীবিদ্বেষী একটা কমিউনিটি তখনি তৈরি হয় যখন নারীবাদ নামক একটা সমাজ এবং ধর্ম বিরোধী মতবাদকে প্রশ্রয় করে মেয়েরা পুরুষ অকারনে এবং একতরফাভাবে দোষারোপ করে বলির পাঁঠা বানাবার পাঁয়তারা করে।
অর্থাৎ নারীবিদ্বেষ এর জন্য সরাসরি দায়ী নারীবাদ তথা নারীবাদী তথা নারীবাদী নারী এবং সিম্প পুরুষেরা। একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে নারী নির্যাতন এবং ধর্ষণ বন্ধ হবার পাশাপাশি আমি নারীবাদ এর গোঁড়া যাতে কর্তন করা হয় তার পক্ষে অবশ্যই সরব আছি এবং থাকবো। মনে রাখতে হবে পুরুষ নারীর সহযোগী, প্রতিযোগী নয়, একটা সুস্থ সমাজ তথা দেশ গঠন তখনই সম্ভব যখন পুরুষ নারীর সহযোগী হবে, প্রতিযোগী নয়।
No comments:
Post a Comment